নয়াদিল্লি:  ভারত রাশিয়া অস্ত্রচুক্তি নিয়ে প্রবল আপত্তি জানিয়ে ছিল চিন। রাশিয়াকে পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল যাতে কোনওভাবেই ভারতের হাতে অস্ত্র তুলে দেওয়া না হয়। তবে বেজিংয়ের সেই দাবির মুখে ছাই দিয়ে মিসাইল সিস্টেম ভারতে পাঠাচ্ছে রাশিয়া।

সূত্রের খবর ভারত চিন সীমান্ত সমস্যার মধ্যেই রাশিয়ার এই মিসাইল সিস্টেম পাঠানোর সিদ্ধান্তকে একেবারেই সমর্থন করেনি চিন। স্টেট মিডিয়া পিপলস ডেইলিতে সেই বার্তাও প্রকাশিত হয়। তবে রাশিয়া জানিয়ে দিয়েছে আগামী দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে এই অত্যাধুনিক সমরাস্ত্র হাতে পাবে ভারত।

গত ফেব্রুয়ারিতে ‘ফেডারেল সার্ভিস অফ মিলিটারি টেকনিক্যাল কার্পোরেশন অফ রাশিয়া’র ডেপুটি ডিরেক্টর ভ্লাদিমির দ্রঝভ জানিয়েছিলেন, ২০২১ সালের মধ্যেই প্রথম এস-৪০০ সিস্টেম হাতে পাবে ভারত। তবে ভারত চিন সীমান্ত সমস্যার মধ্যেই এই অস্ত্র হাতে পেতে চাইছে নয়াদিল্লি। ভারতের সেই অনুরোধে সম্মত হয়েছে মস্কো বলে সূত্রের খবর।

প্রসঙ্গত, চিন ও পাকিস্তান থেকে সম্ভাব্য হামলা ঠেকাতে ও নিজেদের আকাশসীমাকে নিরাপদ করতে বেশ কিছুদিন ধরেই অত্যাধুনিক ‘এস-৪০০ ট্রায়াম্ফ’ এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম কিনতে ইচ্ছুক ছিল ভারত। গত বছর খানেক আগে এই চুক্তি হয়। আর সেই চুক্তি অনুযায়ী, রাশিয়া থেকে পাঁচটি এই সিস্টেম পাচ্ছে ভারত।

জানা গিয়েছে, অত্যাধুনিক সিস্টেম প্রত্যেকটি হাতে পাওয়া মাত্র সেগুলিকে চিন ও পাকিস্তান সীমান্তে মোতায়েন করবে ভারত। জানা যাচ্ছে, রাশিয়ার এই অত্যাধুনিক মিসাইল সিস্টেম ইস্টার্ন লাদাখে মোতয়েন করা থাকবে। সীমান্ত বরাবর বেশ কয়েকটি এস-৪০০ মোতায়েনের সিদ্ধান্ত ভারতীয় সেনাবাহিনীর।

লাদাখে ভারত-চিন মুখোমুখি। ভারত সীমান্তে লাগাতার উস্কানি চালিয়ে যাচ্ছে বেজিং। এই পরিস্থিতিতে নিজেদের অস্ত্রভান্ডারকে আরও মজবুত করতে চলেছে ভারত। জানা যাচ্ছে, রাশিয়ার তৈরি অত্যাধুনিক এই মিসাইল সিস্টেম ছাড়াও রাশিয়া থেকে দ্রুত আরও অস্ত্র কিনতে চলেছে ভারত।

জানা গিয়েছে, মিসাইল সিস্টেম ছাড়াও ভারতের হাতে আসছে, ফাইটার জেট (Su-30 ও Mig-29), নৌসেনার জন্য যুদ্ধজাহাজ, সাবমেরিন এবং টি-৯০ যুদ্ধ ট্যাঙ্ক। বুধবার রাশিয়ার ডেপুটি পিএমের সঙ্গে বৈঠক করেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। এই চুক্তিতে সদর্থক সায় দিয়েছে রাশিয়া বলে জানিয়েছেন তিনি।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ