মস্কো: একেই বলে গেঁয়ো যোগী ভিখ পায় না। পৃথিবীতে যে কটি দেশ করোনা ভ্যাকসিন তৈরি করতে পেরেছে রাশিয়া তাদের মধ্যে অন্যতম। রাশিয়ার এও দাবি তাদের ভ্যাকসিন স্পুটনিক ভি সর্বপ্রথম করোনা ভ্যাকসিন। অথচ রাশিয়ারই দুই তৃতীয়াংশ মানুষ এই ভ্যাকসিন চান না। এর সমান সংখ্যক মানুষ এও বিশ্বাস করেন এই ভ্যাকসিন কৃত্রিমভাবে তৈরি একটি বায়োলজিকাল ওয়েপন বা জৈব অস্ত্র। সম্প্রতি একটি সমীক্ষায় এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।

লেদাভা সেন্টারের তরফ থেকে করা এই সমীক্ষায় প্রাপ্ত ফলাফল বলছে গত মাসে ৬২ শতাংশ মানুষ রাশিয়ার নিজস্ব ভ্যাকসিন নেননি। এদের মধ্যে বেশিরভাগেরই বয়স ১৮ থেকে ২৪-এর মধ্যে। এও জানা গিয়েছে এই ভ্যাকসিন নেওয়ার পর বেশিরভাগেরই শরীরে সাইড এফেক্ট দেখা গিয়েছে। বেশিরভাগ মানুষই জ্বরে ভুগেছেন বা ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন। ভ্যাকসিন নিতে না চাওয়ার এটি অন্যতম কারণ। ৫০টি এলাকা থেকে ১ হাজার ৬০১ জন মানুষের মধ্যে এই সমীক্ষা করা হয়। জানা যায় ৬৪ শতাংশ মানুষ মনে করে করোনা ভাইরাস জৈব অস্ত্র।

অনেকেই মনে করেন কোভিড-১৯ এর উৎস সম্পূর্ণ রাজনৈতিক। যদিও বেশিরভাগ ভাইরোলজিস্ট ও সংক্রমণ রোগের বিশেষজ্ঞ মনে করেন এটি একেবারেই প্রাকৃতিকভাবে তৈরি হয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার একজন প্রতিনিধি গত মাসে চিনে এই নিয়ে অনুসন্ধান চালাতে গিয়েছিলেন। চিনের পরীক্ষাগার থেকে এই ভাইরাস কোনওভাবে বাইরে এসে গিয়েছে কিনা, তা জানাই ছিল উদ্দেশ্য। কিন্তু জানা যায়, এমন কোনও ঘটনাই ঘটেনি। ওই ভাইরাস সম্পূর্ণ প্রাকৃতিকভাবেই সৃষ্টি হয়েছে। প্রতিনিধিদের এও অনুমান এই ভাইরাস বাদুড় থেকে এসেছে। তবে মানুষের শরীরে এই ভাইরাস ছড়াল কীভাবে তা এখনও জানা যায়নি। মনে করা হচ্ছে অন্য প্রাণীদের সংক্রমিত করার পরই তা মানুষের দেহে এসেছে।

রাশিয়ার সমীক্ষায় জানা গিয়েছে দেশের ৭১ শতাংশ মানুষ মনে করে এই ভাইরাস জৈব অস্ত্র। তাদের বয়স ৪০ থেকে ৪৫ এর মধ্যে। মাত্র ২৩ শতাংশের মনে হয় এই ভাইরাস প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্টি। করোনা ভাইরাস দাপট দেখাতে শুরু করার পর থেকে রাশিয়ায় ৪.৩ মিলিয়ন মানুষ সংক্রমিত হয়েছেন। এখনও পর্যন্ত দেশে ২ মিলিয়ন মানুষ করোনা টিকা নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী মিখাইল মুরাস্কো।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.