মস্কো : বিখ্যাত অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের টিকার কার্যকারিতা ঘোষণা হয়েছে। শুরু হয়েছে প্রয়োগ। এবার রাশিয়ার টিকা আনুষ্ঠানিক প্রকাশের মুখে। রুশ স্বাস্থ্য মন্ত্রকের দাবি, আগামী ১২ অগস্টে এটি আত্মপ্রকাশ করবে। দ্রুত অনুমোদন দেওয়া হচ্ছে।

রাশিয়ান ডিরেক্ট ইনভেস্টমেন্ট ফান্ডের (আরডিআইএফ) প্রধান ক্রিমিল দিমিত্রিভ আগেই জানিয়েছিলেন, স্পুটনিকের মহাকাশ যাত্রা দেখে বিশ্ব চমকে গিয়েছিল। আমেরিকানরা যেমন অবাক হয়েছিল। এবারেও একই ঘটনা ঘটবে। করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন তৈরিতে বিশ্ববাসী অবাক হয়ে রাশিয়ার সাফল্য দেখবে। রাশিয়ার স্বাস্থ্যমন্ত্রী মিখাইল মুরাশকো জানিয়েছেন, এটাই বিশ্বের প্রথম করোনা ভ্যাকসিন।

রাশিয়াতেই তৈরি হয়েছে। রুশ সংবাদ সংস্থা ‘তাস’ এই খবর দিতেই আন্তর্জাতিক মহল সরগরম। আর সংবাদ সংস্থা এপি জানাচ্ছে যেভাবে স্পুটনিক মহাকাশযানের প্রসঙ্গ টেনে করোনা টিকার কথা বলা হয়েছে তাতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র চিন্তিত।

১৯৫৭ সালে ততকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন প্রথম মহাকাশযান স্পুটনিকের সফল অভিযান চালায়। মহাকাশ গবেষণায় এটি প্রথম সফলতা। সেই নজির গড়া সাফল্যের মতোই ভয়াবহ করোনা মোকাবিলায় টিকা আনার দাবিতে শোরগোল পড়েছে।

রাশিয়ার স্বাস্থ্যমন্ত্রীর দাবি, এই টিকার তৃতীয় বা শেষ পর্যায়ের ট্রায়াল চলছে। তবে বিজ্ঞানী ও স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা তাড়াহুড়ো করে টিকা বের করার বিষয়ে সতর্ক করেছেন। তাঁদের যুক্তি টিকার কার্যক্ষমতার ব্যাপারে পুরো নিশ্চিত না হয়ে এটি ব্যবহারের অনুমোদন যেন না দেওয়া হয়।

রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের সঙ্গে যৌথভাবে এই টিকা তৈরি করেছে গামালেয়া রিসার্চ ইনস্টিউট। স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, চিকিৎসার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তি ও বয়স্কদের আগে এটি দেওয়া হবে।

ওয়ার্ল্ডোমিটার জানাচ্ছে, করোনার হামলায় রাশিয়াতে মৃত্যু হয়েছে হয়েছে ১৪ হাজার ৭০০ জনের বেশি। আক্রান্তের সংখ্যা ৮ লক্ষ ৭৭ হাজারের বেশি।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও