ওয়াশিংটনঃ  ক্রমশ উত্তেজনা চড়ছে রাশিয়া এবং আমেরিকার মধ্যে। এই অবস্থায় আমেরিকার একেবারে দোরগোড়ায় দুটি টিইউ-১৬০ পরমাণু যুদ্ধবিমান পাঠিয়ে দিল রাশিয়া। রাশিয়ার চুকটোকা অঞ্চলের সামরিক ঘাঁটিতে বিমান দুটি পাঠানো হয়েছে। চুকটোকা থেকে বেরিং প্রণালী পার হলেই আমেরিকার আলাস্কা রাজ্যটি অবস্থিত।

যা নিয়ে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। রাশিয়ার এহেন উস্কানিমূলক আচরণ বিরুদ্ধে যদিও এখনও পর্যন্ত কোনও মন্তব্য করেননি কোনও মার্কিন সামরিক আধিকারিক। তবে সূত্রে খবর, পুরো পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে মার্কিন সামরিক বাহিনী।

রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, সোভিয়েত আমলে নির্মিত বোমারু বিমান দুটি আট ঘণ্টায় ৬,০০০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে চুকটোকা অঞ্চলের সারাটোভ শহরের আনাদির ঘাঁটিতে পৌঁছয়। সেখানে সামরিক মহড়ায় অংশ নেবে অত্যাধুনিক এই বিমান দুটি। মহড়া চলবে চলতি সপ্তাহের শেষ পর্যন্ত।

রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, রাশিয়ার মূল ভূখণ্ড থেকে অপারেশনাল এয়ারফিল্ডে সামরিক সরঞ্জাম স্থানান্তরের অংশ হিসেবে টিইউ-১৬০ বিমানের ফ্লাইট পরিচালনা করা হয়েছে। টিইউ-১৬০ কৌশলগত বোমারু বিমান হচ্ছে সুপারসনিক বিমান যা ১২টি স্বল্প পাল্লার পরমাণু বোমা বহন করতে এবং কোনও বিরতি ছাড়াই ১২ হাজার কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে পারে। সিরিয়ায় জঙ্গিদের বিরুদ্ধে অভিযানের সময় রাশিয়া কয়েকবার এই বিমান ব্যবহার করেছে। সাম্প্রতিককালে রাশিয়া টিইউ-১৬০ বিমানের সংস্কার করেছে যার ফলে আগের চেয়ে এই বিমান এখন আরও বেশি কার্যকর ও ক্ষমতাধর হয়ে উঠেছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.