মস্কোঃ  বিশ্বজুড়ে চলছে কার্যত অস্ত্র প্রতিযোগিতা। সামরিক ক্ষেত্রে উন্নত হচ্ছে বিশ্বের তাবড় তাবড় দেশগুলি। প্রতিনিয়ত সামরিক ক্ষেত্রে আর কীভাবে নিজেদের আরও শক্তিশালী করা যায় সে লক্ষ্যেই কাজ করে চলেছেন সামরিক বিজ্ঞানীরা। অস্ত্র প্রতিযোগিতায় অনেকটাই এগিয়ে রাশিয়া।

আরও আধুনিক একটি মিসাইল আনতে চলেছে পুতিনের দেশ। জানা যাচ্ছে, নতুন প্রজন্মের আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র আর-এস-২৮ ‘সারমাত’ পরীক্ষা করতে চলেছে রাশিয়ার সামরিক বাহিনী। এই আধুনিক ক্ষেপণাস্ত্রটি ফ্রান্সের সমান একটি দেশ ধ্বংস করতে সক্ষম বলে জানিয়েছে মস্কো।

ফলে এই মিসাইল ঠিক কতটা শক্তিশালী তা বোঝাই যাচ্ছে! সামরিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সারমত এই মুহূর্তের অন্যতম শক্তিশালী মিসাইল। রুশ প্রতিরক্ষামন্ত্রী আলেক্সাই সেগুই স্থানীয় একটি সামরিক পত্রিকাকে জানান, রাশিয়ার সারমাত আর-২৮ আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা অদূর ভবিষ্যতে শুরু হবে।

এখন পর্যন্ত আশানুরূপ ফলাফল পাওয়া গিয়েছে। তবে এই মিসাইল নিয়ে আরও গবেষণা প্রয়োজন বলেই জানাচ্ছেন রাশিয়ান প্রতিরক্ষামন্ত্রী। যদিও এই মুহূর্তে এই মিসাইলকে আরও কীভাবে শক্তিশালী বানানো যায় তা নিয়েই কাজ করছেন সে দেশের বিজ্ঞানীরা।

মনে করা হচ্ছে, আগামিদিনে সামরিক ক্ষেত্রে এই মিসাইল যথেষ্ট চাপে রাখবে বিশ্বের বিভিন্ন শক্তিধর দেশগুলিকে। এক সংবাদমাধ্যম জানাচ্ছে, এই মিসাইলের বিষয়ে খোঁজখবর নিয়েছেন খোদ রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিন। কতটা শক্তিশালী এই মিসাইল? যুআরএস-২৮ সারমাত-এর ওজন ২০৮ টন।

এটি ৬ হাজার ২০০ মাইল দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম। ক্রিভেরুচকো জানিয়েছেন, সাইবেরিয়ার ক্রাসনোয়ারস্ক অঞ্চলে সারমাত-এর পরীক্ষা চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

রাশিয়ার নতুন অস্ত্র পরীক্ষা চালানোর সিদ্ধান্তের বিষয়ে এখনো অন্য দেশের প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।