মস্কো: পদত্যাগ করলেন রাশিয়ার প্রধানমন্ত্রী দিমিত্রি মেদভেদেভ। রাষ্ট্রপতি ভ্লাদিমির পুতিনের কাছে পদত্যাগ পত্র জমা দেন তিনি। তবে তিনি শুধু একা নন, প্রধানমন্ত্রী-সহ গোটা মন্ত্রিসভা পদত্যাগ করেছে বলে সূত্র মারফত জানা গিয়েছে।

হঠাৎ এই সিদ্ধান্তে হতচকিত বিশ্ববাসী। প্রেসিডেন্টের কাছে গিয়ে এভাবে মন্ত্রীসভার সমস্ত সদস্যদের পদত্যাগ বিরল ঘটনা। জানা গিয়েছে, রাশিয়ার আত্থিক পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপের দিকে যাচ্ছিল। আর তাই হয়তো এহেন সিদ্ধান্ত নিলেন দিমিত্রি মেদভেদেভ।

বুধবার স্টেট অফ দ্য নেশনে বক্তৃতা দেন রাষ্ট্রপতি ভ্লাদিমির পুতিন। তাঁর এই বক্তৃতার পরেই মেদভেদেভ পদত্যাগের ঘোষণা করেন। উল্লেখ্য, ২০১২ সাল থেকে রাশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন দিমিত্রি মেদভেদেভ। তাঁর আগে ২০০৮ থেকে ২০১২ সাল অবধি রাশিয়ার রাষ্ট্রপতিও ছিলেন তিনি। বিশেষ সূত্রে খবর, পুতিনই মেদভেদেভকে দায়িত্ব ছাড়তে নির্দেশ দিয়েছিল।

অন্যদিকে বুধবারে একটি অনুষ্ঠান থেকে সাংবিধানিক সংস্কারের কথা ঘোষণা করেন পুতিন। বিদায়ী মন্ত্রীসভাকে ধন্যবাদ জানানোর পাশাপাশি পুতিন বলেন, তাঁর মন্ত্রিসভা অভিষ্ট লক্ষ্যে পুরোপুরি পৌঁছাতে পারেনি।

প্রসঙ্গত, রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের বর্তমান মেয়াদ শেষ হবে ২০২৪ সালে। তাই বুধবারের প্রস্তাবে তার ক্ষমতার মেয়াদ নিয়েও জল্পনা শুরু হয়েছে। পুতিন যে প্রস্তাব দিয়েছেন সেখানে পার্লামেন্টের হাতে প্রেসিডেন্টের থেকে প্রধানমন্ত্রীকে বেশি ক্ষমতা দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। এই প্রস্তাব বাস্তবায়নে প্রয়োজনে দেশব্যাপী গণভোটও চেয়েছেন পুতিন।

অধিকাংশ রুশ নাগরিকদের কাছে এখনও ব্যাপক জনপ্রিয় পুতিন । কিন্তু বিরোধীদের অভিযোগ, তিন সংবিধান পরিবর্তন করে ২০২৪ সালের পর প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেশের শীর্ষ ক্ষমতাধর ব্যক্তির দায়িত্বে থাকতে চান।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।