মস্কো:   রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন দাবি করলেন, তার দেশে সোভিয়েত ইউনিয়ন আমলে এমন সংবিধান ছিল যে তার ধীরগতির মনোভাব দেশকে ধ্বংসের দিকে ফেলে দিয়েছিল। যার জন্য সোভিয়েত ইউনিয়নের দুঃখজনক পরিণতি । আর সেটা আটকাতেই সংবিধান সংশোধন করা হল। এই পরিবর্তন সঠিক। রাশিয়ার সরকারি এক নম্বর টিভি চ্যানেলকে দেওয়া তার সাক্ষাৎকারে তিনি সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের প্রসঙ্গ তুলে এসব কথা বলেছেন।

পুতিনের বক্তব্য, গণতন্ত্র রক্ষার জন্য সংবিধানের এই পরিবর্তন জরুরি ছিল।যে সংবিধান বিশেষ একটি শ্রেণিকে তাদের নিজেদের ও কম্যুনিস্টদের ভাগ্যকে গোটা জাতির ভাগ্যের সঙ্গে জুড়ে দেওয়ার অনুমতি দেয় তা বিলম্বিত মনোভাব ছাড়া আর কিছু নয়।কাজেই তার থেকে থেকে দেশকে রক্ষা করার জন্য সংবিধান সংশোধন ছাড়া অন্য কোনো উপায় ছিল না।

প্রেসিডেন্ট পুতিন সম্প্রতি ভোট করে রাশিয়ার সংবিধানে এমন পরিবর্তন এনেছেন যাতে আপাতত ২০৩৬ সাল পর্যন্ত তিনি ক্ষমতায় থাকতে পারেন। গত সপ্তাহে সংবিধানের এর পরিবর্তনের উপর গণভোট করা হলে জনগণ পুতিনের অনুকূলে ভোট দিয়েছেন।

সমালোচকরা বলছেন, ভ্লাদিমির পুতিন এ সংশোধনীর মাধ্যমে মূলত আজীবন ক্ষমতায় থাকার ব্যবস্থা পাকাপোক্ত করেছেন। যদিও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট এই বিষয়টিকে মোটেও তার ব্যক্তিগত স্বার্থ রক্ষার হাতিয়ার হিসেবে দেখতে নারাজ।

তিনি সাক্ষাৎকারে উল্লেখ করেন, ১৯৭৭ সালের সংবিধানে সরকারের সকল কাজ কম্যুনিস্ট পার্টির নিয়ন্ত্রণে ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল এবং এই পার্টির হাত থেকে অন্য কারো কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের কোনো সুযোগ ছিল না। তার জেরে কম্যুনিস্টরা তাদের ভাগ্যকে জাতির ভাগ্যের সঙ্গে জুড়ে দিতে ছিল।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ