মস্কো: আরও শক্তিশালী রাশিয়া। একেবারে সাফল্যের সঙ্গে একটি অ্যান্টি-ব্যালিস্টিক মিসাইল সিস্টেমের পরীক্ষা চালাল মস্কো। রাশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রক সূত্রে এমনটাই জানা গিয়েছে। একাধিক সংবাদমাধ্যম দাবি করেছে যে রাশিয়ার এই ক্ষেপণাস্ত্র উন্নত এবং পরমাণু শক্তিধর দেশগুলির উপগ্রহ ধ্বংস করতে সক্ষম হবে।

শুধু তাই নয়, একেবারে গোপনে কার্যত চোখের পলকে শত্রু দেশের স্যাটেলাইট ধ্বংস করে দেবে। এদিকে রুশ প্রতিরক্ষামন্ত্রকের তরফে একটি বিবৃতি দেওয়া হয়েছে এই মিসাইল পরীক্ষার পরে।

তাতে দাবি করা হয়েছে যে, রাশিয়ান আর্মির পরীক্ষা করা মিসাইলটি আদৌতে একটি অ্যান্টি ব্যালেস্টিক মিসাইল সিস্টেম। ইতিমধ্যেই রাশিয়ায় অ্যারোস্পেস ফোর্স এই মিসাইল এবং মিসাইল সিস্টেম ব্যবহার করা শুরু করে দিয়েছে।

রাশিয়ার ফার্স্ট আর্মি অব স্পেশাল এয়ার অ্যান্ড অ্যান্টি-ব্যালিস্টিক মিসাইল ডিফেন্সের কমান্ডার লেফটেন্যান্ট জেনারেল আন্দ্রে দেমিন জানিয়েছেন, এই অ্যান্টি ব্যালেস্টিক মিসাইল সিস্টেমে ক্ষেপণাস্ত্রের বৈশিষ্ট্য রয়েছে।

ইতিমধ্যে পরীক্ষার সময় একই সঙ্গে তা কয়েকটি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম হয়েছে।

অন্য এক রিপোর্টে জানা গিয়েছে, এই মিসাইল সিস্টেম ঘন্টায় ছয় হাজার মাইল পথ পাড়ি দিতে সক্ষম হবে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।