মস্কো: রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে পরিস্থিতি এখনও উত্তপ্ত। এরই মধ্যে ক্ষেপণাস্ত্র এবং ট্যাঙ্ক সহ প্রায় ৮০ হাজার সেনা সীমান্তে মোতায়েন করল রাশিয়া। পূর্ব ইউরোপে সীমান্ত ঘেঁষে এই সামরিক অবরোধ শুরু করেছে রাশিয়া।

ডেইলি মেইলের রিপোর্ট বলছে, রাশিয়া পূর্ব ইউরোপে উপস্থিত ডনবাস এলাকায় নিজেদের সেনা মোতায়েন করেছে। এখানে রাখা ক্ষেপণাস্ত্র এবং ট্যাঙ্কগুলির ছবি ইতিমধ্যেই ভাইরাল হতে শুরু করেছে। ২০১৪ সাল থেকেই এই এলাকা রুশপন্থী বিচ্ছিন্নতাবাদীদের দখলে রয়েছে, যে সুযোগ নিয়ে রাশিয়া এই অঞ্চলে সামরিক অবরোধ করে ফেলেছে।

রিপোর্টে উল্লেখ, ইউক্রেনের পূর্ব সীমান্তে ৮০ হাজারেরও বেশি রাশিয়ান সেনা মোতায়েন করা হয়েছে। ফলে রাশিয়া ইউক্রেনের দখল নেবে কিনা তা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়ে গিয়েছে। সারা বিশ্বের নজর এখন ওই সীমান্ত এলাকায়। পূর্ব ইউক্রেনের পরিস্থিতি রীতিমতো উদ্বেগজনক বলে জানানো হয়েছে। মারাত্মক ভাবেই যুদ্ধের আশঙ্কা রয়েছে বলে রিপোর্টে দাবি করা হচ্ছে।

আরও খবর পড়ুন – কেন সরলেন বিজেপি জেলা সভাপতি, ভোটের আগেই সরগরম উত্তর দিনাজপুর

তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, জার্মানি এবং তুরস্ক সহ অনেক দেশ ন্যাটোতে থাকা ইউক্রেনকে খোলাখুলি ভাবেই সমর্থন করছে। কিন্তু রাশিয়া বিশ্বব্যাপী দেশগুলির চাপকে প্রত্যাখ্যান করে সীমান্তে অস্ত্র ও সেনা সংখ্যাও বাড়িয়ে চলেছে। যার ফলে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের আশঙ্কাও দেখা দিয়েছে। এ ছাড়াও ডোনেটস্ক ও লুহানস্ক এলাকাতেও রাশিয়ার প্রচুর সমর্থন রয়েছে। মনে করা হয় রাশিয়া ইউক্রেনের এই এলাকাগুলির বিদ্রোহ উস্কে দেওয়ার চেষ্টা করছে।

রাশিয়ার এই পদক্ষেপে জার্মানি জানিয়েছে, রাশিয়ার বিরুদ্ধে ন্যাটো দেশগুলির প্রতিটি পদক্ষেপকে তাঁরা সমর্থন করবে। এমনকি আমেরিকাও দুটি যুদ্ধজাহাজ আগামী সপ্তাহেই পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। তবে জার্মানি ও আমেরিকার এহেন অবস্থানেও রাশিয়া সেনার অবস্থানে অনড় রয়েছে।

বলা হয় ২০১৪ সালে রাশিয়া জোর করে ইউক্রেনের ক্রেমলিন শহর দখল করেছিল। একই সঙ্গে ডনবাস অঞ্চলে নিয়েও বিতর্ক রয়েছে।রাশিয়ার রাষ্ট্রপতির সহযোগী দিমিত্রি পেসকভ জানিয়েছেন, রাশিয়ান নাগরিকদের উপর ইউক্রেনের যে কোন অত্যাচার আসলে ‘ইউক্রেনের সমাপ্তির সূচনা’ করবে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.