বেঙ্গালুরু: এদেশের বায়োটেকনোলজি শিল্পে বর্ষীয়ান ব্যক্তিত্ব কিরণ মজুমদার শাহ প্রশ্ন তুললেন রাশিয়ার দাবী করা প্রথম সুরক্ষিত করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন আবিষ্কার করা নিয়ে। বিশেষত্ব তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, এই সংক্রান্ত তথ্য ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল এবং মোর অ্যাডভান্স প্রোগ্রাম ইত্যাদি নিয়ে।

মস্কোর গামালেয়া রিসার্চ ইনস্টিটিউটের প্রথম এবং দ্বিতীয় ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল সংক্রান্ত কোন তথ্য এই বিশ্বকে জানানো হয়নি। বেঙ্গালুরু ভিত্তিক সংস্থা বায়োকনের এক্সিকিউটিভ চেয়ারপারসনের বক্তব্য, তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়ালের আগে এই ভ্যাকসিন রাশিয়া গ্রহণ করে নিল। তার মতে, এই অবস্থান থেকে বিশ্বের প্রথম ভ্যাকসিন বলে দাবি করা যায় না যেহেতু আরও অন্যান্য স্থানে এই ভ্যাকসিন আবিস্কারের প্রোগ্রাম আরো অনেক দূর এগিয়ে গিয়েছে।

মঙ্গলবার রাশিয়া ঘোষণা করে তারাই প্রথম করোনাভাইরাসের আবিষ্কারক দেশ যা নিয়ন্ত্রকের অনুমোদন পেতে চলেছে। তবে রাশিয়ার দাবি তাঁদের তৈরি ভ্যাকসিন সম্পূর্ণ নিরাপদ। সামান্য কিছু পার্শ্ব প্রতিক্রয়া ছাড়া কোনও সমস্যা নেই তাদের ভ্যাকসিনে। বুধবার এই ভ্যাকসিনের সরকারি রেজিস্ট্রেশনের ঘোষণা করেন রাশিয়ান প্রেসিডেন্ট ভ্রাদিমির পুতিন। রাশিয়ার স্বাস্থ্যমন্ত্রক আগেই জানিয়েছিল যে এই ভ্যাকসিন বিশ্বে সাড়া ফেলবে। উপকার হবে সাধারণ মানুষের।

উল্লেখ্য, রাশিয়ার এই চটজলদি করোনার ভ্যাকসিন নিয়ে আসাকে অনেকেই সন্দেহের চোখে দেখছেন। যদিও খোদ পুতিন জানিয়েছেন, তাঁর মেয়ে এই টিকা নিয়েছেন, তবুও বেশিরভাগ দেশই চাইছেন ট্রায়াল দিয়ে তারপরেই ভ্যাকসিন নিতে। হু জানিয়েছে, ভ্যাকসিনের ব্যাপারে তাঁরা রাশিয়ার সঙ্গে কথা বলবে।

বিশ্বের তাবড় বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, হিউম্যান ট্রায়ালের সম্পূর্ণ তথ্য ছাড়া কোনও ভ্যাকসিনকে বিশ্বাস করা উচিৎ নয়। রাশিয়ান ভ্যাকসিনের গুনগতমান ও সুরক্ষা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছে জার্মানি। পাশাপাশি মনে করিয়ে দেওয়া হয়েছে, সম্পূর্ণ ক্লিনিকাল ট্রায়ালের পরেই ইউরোপীয় ইউনিয়নে ড্রাগের অনুমোদন দেওয়া হয়।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও