মস্কো: রাশিয়ার এই শক্তিশালী মিসাইলে আমেরিকা-ব্রিটেনের কপালে ভাঁজ পড়লেও ভারতে কিন্তু হাঁটতে চলেছে উলটোপথে৷ ভারতে এখন সেকেন্ড জেনারেশনের ব্রহ্মোস মিসাইল নিয়ে ব্যস্ত থাকলেও, আশা করা হচ্ছে, আগামী দিনে ভারতের কাছেও তার নিজস্ব হাইপারসোনিক অ্যান্টি শিপ মিসাইল থাকবে৷ এতেও স্ক্রেমজেট ইঞ্জিন ব্যবহার করা হবে বলে জানা গিয়েছে৷

উল্লেখ্য, রাশিয়া এমন এক মিসাইল তৈরি করছে যা দেখে এবার অবাক হওয়ার পালা গোটা বিশ্বের৷ জিরকোন নামের এই হাইপারসোনিক অ্যান্টি-শিপ মিসাইলের গতিবেগ প্রতি ঘন্টায় ৭৪০০কিমি৷ একবার এই মিসাইল লঞ্চ করে গেলে তাকে প্রতিরোধ করা দুরূহ বিষয়৷

আরও পড়ুন: পরপর মিসাইল টেস্ট! কিমের সঙ্গে সব সামরিক সম্পর্ক চুকিয়ে দিল ভারত

রাশিয়া প্রতিরক্ষা মন্ত্রক মঙ্গলবার এই মিসাইলের ছবি প্রকাশ করেছে বলে জানা গিয়েছে৷ এই মিসাইল সবথেকে বড় শক্তি এর গতিবেগ৷ এই মিসাইল চিন্তায় ফেলেছে আমেরিকাকেও৷ এর ক্ষমতা প্রায় ৪০০কিমি বলে জানা গিয়েছে৷ ২০২২সালের মধ্যে রাশিয়ার সামরিক বিভাগে একে সামিল করা হবে৷ এতে স্ক্রেমজেট ইঞ্জিন ব্যবহার করা হয়েছে, যা বাইরে থেকে অক্সিজেন নিয়ে প্রয়োগ করতে পারে৷

আরও পড়ুন: রাতের অন্ধকারে গোপনে ফের মিসাইলের ইঞ্জিনের পরীক্ষা করল উত্তর কোরিয়া

প্রসঙ্গত, বর্তমানে ব্রিটিশ নৌবাহিনীর কাছে যে ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আছে তা দিয়ে ২৩০০ মাইল গতির ক্ষেপণাস্ত্রকেই কেবল ভূপাতিত করা সম্ভব। ‘জিরকনের’ বিরুদ্ধে এই ব্যবস্থা কোনও ভাবেই কাজ করবে না। ফলে বিমানবাহী রণতরীকে পাঁচশ মাইল পাল্লার দূরে অবস্থান করতে হবে। আর এতে বিমানবাহী রণতরীর যুদ্ধবিমান বা হেলিকপ্টার তাদের লক্ষ্যবস্তুতে পৌঁছে আঘাত হেনে জ্বালানি শেষ হওয়ার আগেই ফিরে আসতে পারবে না। ফলে এগুলোও কার্যত অকেজো হয়ে যাবে। ব্রিটিশ নৌবিশেষজ্ঞ পেট স্যান্ডম্যান বলেন, জাহাজ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে শব্দের চেয়ে অতি দ্রুত গতির রুশ ক্ষেপণাস্ত্র ‘জিরকন।’