মস্কো: প্রতিপক্ষ অদৃশ্য ভয়ঙ্কর শত্রু। বিশ্ব জুড়ে মরণ তাণ্ডব দেখাচ্ছে।

এমনই শত্রুর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে এবার স্যাম্বো মার্শাল আর্টের মতো একনাগাড়ে মারাত্মক আঘাত করার পদ্ধতি নিচ্ছে রাশিয়া।

করোনাভাইরাস প্রতিরোধে আগামী অক্টোবরে গণহারে টিকা দেওয়া শুরুর পরিকল্পনা করছে রুশ স্বাস্থ্য মন্ত্রক।

রাশিয়ার গবেষকদের দাবি অ্যাডেনোভাইরাস নামে ভ্যাকসিনের প্রাথমিক পর্যায়ের পরীক্ষায় সফলতা এসেছে।

বিবিসি এবং রুশ সংবাদ সংস্থা ‘তাস’ জানাচ্ছে এই খবর। সম্প্রতি বহু আলোচিত অক্সফোর্ডের টিকা প্রয়োগ শুরু হয়েছে। এবার বিশেষজ্ঞদের নজর রাশিয়ার তৈরি এই টিকার দিকে।

আগেই রুশ সরকার জানিয়েছিল, তাদের টিকা পরীক্ষামূলক প্রয়োগে সফলতা পেয়েছে। সম্পূর্ণ সফলতা এলে এটি তৈরির সূত্র সব দেশকেই জানিয়ে দেওয়া হবে। এই দাবির পরেই আন্তর্জাতিক মহলে শোরগোল পড়ে। কারণ, টিকার ফর্মুলা প্রকাশের দাবি কেউ করেনি। পাশাপাশি রাশিয়া অ্যাভিফ্যাভির ওষুধের প্রয়োগ করে করোনা আক্রান্ত রোগীদের সুস্থ করার দাবি করেছে। এই ওষুধ নিয়েও চর্চা তুঙ্গে।

রাশিয়ার স্বাস্থ্যমন্ত্রী মিখাইল মুরাশকো জানিয়েছেন, মস্কোর গবেষণা সংস্থা গামালেয়া ইনস্টিটিউট একটি ভ্যাকসিনের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল শেষ করেছে। তিনি বলেন, আগামী অক্টোবর থেকে বৃহৎ আকারে টিকা প্রয়োগের কাজ শুরু করার পরিকল্পনা করছি।

রয়টার্স জানাচ্ছে , চলতি মাসেই রাশিয়ার প্রথম সম্ভাব্য টিকা কর্তৃপক্ষের অনুমোদন পাবে।চিকিৎসক ও শিক্ষকরা সবার আগে টিকা নেওয়ার সুবিধা পাবেন।

ওয়ার্ল্ডোমিটার জানাচ্ছে, রাশিয়ায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৮ লক্ষ ৪৫ হাজারের বেশি। মৃতের সংখ্যা ১৪ হাজার পার করেছে। চিনের প্রতিবেশী রাশিয়া প্রথম দিকে করোনা প্রতিরোধে সফলতা পায়। পরে ভাইরাস হামলায় তছনছ হয়েছে রুশ দেশ।

বিবিসি জানাচ্ছে, বিশ্বজুড়ে করোনা প্রতিরোধে সম্ভাব্য ভ্যাকসিন তৈরি করা হয়েছে। এর মধ্যে ২০টির বেশি ভ্যাকসিন ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের পর্যায়ে রয়েছে।

পপ্রশ্ন অনেক: একাদশ পর্ব

লকডাউনে গৃহবন্দি শিশুরা। অভিভাবকদের জন্য টিপস দিচ্ছেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ।