মস্কো-ওয়াশিংটন: ফের উত্তেজনা মাঝ আকাশে। দু’দুটি মার্কিন গোয়েন্দা বিমানকে মাঝ আকাশে রুখে দিল রাশিয়ান এয়ারফোর্স। রাশিয়ার অভিযোগ, মস্কোর আকাশসীমার দিকে ধেয়ে আসছিল মার্কিন দুই গোয়েন্দা আধিকারিকরা। আত তা রেডারে ধরা পড়তেই মার্কিন দুই গোয়েন্দা বিমানের দিকে ধেয়ে যায় রাশিয়ান যুদ্ধবিমান। কৃষ্ণসাগরের উপর মার্কিন দুই বিমানের পথ কার্যত রুখে দেয় দুই রাশিয়ান ফাইটার জেট।

কার্যত বিপদজনক ভাবে মার্কিন বোমারুগুলিকে রুখে দেয় রাশিয়ান এয়ারফোর্স। এই ঘটনায় ব্যাপক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। এই ঘটনার জন্যে মার্কিন এয়ারফোর্সের তরফে তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। যদিও রাশিয়ান এয়ারফোর্সের দাবি, মার্কিন গোয়েন্দা বিমানগুলিকে না আটকানো হলে রাশিয়ার আকাশসীমায় ঢুকে পড়ার সম্ভাবনা থাকত।

এই ঘটনার পর রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রক বলেছে, রাশিয়ার সামরিক বাহিনীর রাডারে আমেরিকার গোয়েন্দা বিমান দুটি ধরা পড়ার পর একটি এসইউ-২৭ যুদ্ধ বিমান মার্কিন বিমান দুটিকে তাড়া করে। রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, রাশিয়ার সীমান্ত লঙ্ঘনের কোনও ঘটনা মস্কো মেনে নেবে না কখনই।

গত কয়েক সপ্তাহ ধরে রাশিয়ার এয়ার স্পেস কন্ট্রোল সিস্টেম কৃষ্ণ সাগরের আকাশে বহু সংখ্যক বিমানকে শনাক্ত করেছে। যারা রাশিয়ার সীমান্ত লঙ্ঘনের চেষ্টা করেছে বলে আবি করেছে রাশিয়া। এমন সর্বশেষ ঘটনা ঘটেছিল ৩০ জুলাই।

ওইদিন আমেরিকার একটি বিমান রাশিয়ার আকাশের দিকে যাওয়ার চেষ্টা করলে একটি রাশিয়ান এসইউ-২৭ যুদ্ধ বিমান মার্কিন বিমানটিকে পালটা ধাওয়া করে। যা নিয়েও ব্যাপক উতেজনা তৈরি হয়েছে। রাশিয়ার রাডারে প্রায় সময়ই আমেরিকার বোমারু ও গোয়েন্দা বিমানসহ ন্যাটো বাহিনীর বহুসংখ্যক বিমান শনাক্ত করা হচ্ছে।

রাশিয়া এসব ঘটনাকে উস্কানি হিসাবেই দেখছে। গত কয়েক সপ্তাহে বেড়ে গিয়েছে এহেন উস্কানি। আর সেই কারণে রাশিয়ান যুদ্ধ বিমানগুলিকে একেবারে হাই-অ্যালার্টে রাখা হয়েছে। যে কোনও উস্কানির কড়া জবাব দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শুধু তাই নয়, রাশিয়ার আকাশসীমার মধ্যে টহলদারি বাড়ানো হয়েছে। একাধিক যুদ্ধবিমান কৃষ্ণসাগরে রাশিয়ান আকাশসীমার উপর নজরদারি চালাচ্ছে।

পপ্রশ্ন অনেক: একাদশ পর্ব

লকডাউনে গৃহবন্দি শিশুরা। অভিভাবকদের জন্য টিপস দিচ্ছেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ।