স্টাফ রিপোর্টার, সোনারপুর: তৃণমূলের বিরুদ্ধে বেআইনী বাজি কারখানা গড়ে তোলায় মদত দেওয়ার অভিযোগ করলেন বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ রূপা গঙ্গোপাধ্যায়৷ মঙ্গলবার বেলা তিনটে নাগাদ সোনারপুরের বাজি কারখানায় বিস্ফোরণে নিহতের পরিবারের সাথে দেখা করেন এই বিজেপি নেত্রী৷

এদিন বিজেপি নেতৃত্ব অভিযোগ করেন, এই বাজি কারখানার পিছনে বিস্ফোরক তৈরির কাজ চলত৷ চলত বন্দুকের গুলি তৈরীর কাজ৷ বিজেপি সাংসদ রূপা গঙ্গোপাধ্যায় দাবি করেন, এ রাজ্যে কতগুলি বাজি কারখানা আছে তা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দফতর থেকে নোটিশ দিয়ে জানাতে হবে৷ পাশাপাশি, বাজি কারখানাগুলির পিছনে কতগুলি বোমা তৈরির কারখানা রয়েছে, কোথায় কোথায় বিস্ফোরক তৈরি হয়,তাও জানাতে হবে৷

আরও পড়ুন: কি কাণ্ড! MP-দের অফিসে মিলল ব্যবহার করা কন্ডোম

এই ঘটনার কার্যত উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত দাবি করেছেন তিনি৷ নিহতদের পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে বিজেপি নেতৃত্বের তরফ থেকে৷ তাঁর অভিযোগ পুলিশ প্রশাসন জানত যে এই এলাকাতে বাজি কারখানার পিছনে বিস্ফোরক তৈরির কাজ কাজ চলে৷

তাঁদের দাবি এই কারখানায় শ্রমিকদের উপর অমানুষিক অত্যাচার করা হত৷ মূলত ১৮ বছরের নিচে যারা, তাদের দিয়েই কারখানায় বেশি কাজ করানো হতো বলে অভিযোগ করেছেন বিজেপি নেতৃত্ব৷ এদিন রূপা গঙ্গোপাধ্যায়ের সঙ্গে বিজেপি প্রতিনিধি দলে ছিলেন জয়প্রকাশ মজুমদার৷

আরও পড়ুন : গঙ্গাদূষণ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর ক্ষোভের মুখে মেয়র

রবিবার দুপুরে সোনারপুরের গোবিন্দপুরে বাজি কারখানায় বিস্ফোরণ হয়। তারপর তাতে আগুন ধরে যায়। বিকেলে এই কারখানার কর্মী অগ্নিদগ্ধ দেবাশিস সর্দারের মৃত্যু হয়। বিকট শব্দ ও আগুন দেখে আতঙ্ক ছড়ায় এলাকায়। আগুনে আহত হন দশ জন। এদের মধ্যে ২ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। আহতদের ভরতি করা হয় বারুইপুর মহকুমা হাসপাতালে।

বিস্ফোরণের পরই বাজি কারখানার মালিক তরুণ গাঙ্গুলীকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখান স্থানীয়রা। তার বাড়িতেও ভাঙচুর চালানো হয়। পুলিশ বাজি কারখানার মালিককে আটক করে।