নয়াদিল্লি : অনলাইন টাকা লেনদেনে অভ্যস্ত হয়ে উঠেছে জীবন। বিশেষ করে এই লকডাউনে বাড়িতে বসে টাকা ট্রান্সফারের সুযোগ কেউই হাতছাড়া করেননি। ফলে অনলাইনে টাকা ট্রান্সফারের বিষয়টি খুবই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে ইদানিং।

তবে পয়লা ডিসেম্বর থেকে অনলাইন ব্যাংকিংয়ের নিয়ম বদলাতে চলেছে। মূলত বদলে যাচ্ছে আরটিজিএস বা রিয়েল টাইম গ্রস সেটেলমেন্ট পেমেন্টের নিয়ম। রিজার্ভ ব্যাংক অফ ইন্ডিয়া জানিয়েছে পয়লা ডিসেম্বর থেকে আরটিজিএস পদ্ধতি পুরোদমে চালু হয়ে যাচ্ছে। গ্রাহকদের কথা মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত বলে জানিয়েছে আরবিআই। ডিসেম্বর মাস থেকে সপ্তাহের সাতদিনই এই পরিষেবা মিলবে।

উল্লেখ্য দু লক্ষ টাকার ওপর ট্রানজাকশনের জন্য গ্রাহকরা আরটিজিএস পরিষেবা ব্যবহার করতেন। এতদিন এই পরিষেবা সকাল সাতটা থেকে সন্ধে ছটা পর্যন্ত পেতেন গ্রাহকরা। সেই সঙ্গে মাসের দ্বিতীয় ও চতুর্থ শনিবার আরটিজিএস পরিষেবা পাওয়া যেত না।

তবে এবার থেকে সপ্তাহের সাতদিন ২৪ ঘন্টা পরিষেবা চালু থাকার সিদ্ধান্তের ফলে বড়সড় স্বস্তি ব্যবসায়ীদের জন্য। এবার থেকে তাঁদের আর ব্যাংকের ওয়ার্কিং ডে-র দিকে তাকিয়ে থাকতে হবে না। কোনও বড় অঙ্কের টাকা যে কোনও সময়ে আরটিজিএসের মাধ্যমে পাঠাতে বা পেতে পারবেন তাঁরা।

উল্লেখ্য, এর আগে গত বছর ডিসেম্বর মাসে NEFT পরিষেবা সপ্তাহের ৭ দিন, ২৪ ঘন্টা করা হয়েছিল।

আরবিআই গভর্ণর শক্তিকান্ত দাস জানিয়েছেন মানিটারি পলিসি কমিটির সঙ্গে মাসে দুবার বৈঠকের পরেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জানানো হয়েছে এই পেমেন্ট সিস্টেমে কোনও ক্যাপিটাল অ্যামাউন্ট থাকবে না।

তবে সর্বোচ্চ কত টাকা এর মাধ্যমে ট্রান্সফার করা যাবে, সে বিষয়ে এখনও কিছু জানা যায়নি। আরবিআই জানিয়েছে, বিশ্বের অনেক বড় বড় দেশেই অনলাইন ট্রান্সফারের ক্ষেত্রে এই সুবিধা পাওয়া যায় না।

খুব কম দেশ রয়েছে, যেখানে টাকা অনলাইনে ট্রান্সফার করা যায় যে কোনও সময়ে। বিভিন্ন সংস্থা, বড় ব্যবসায়ীদের মোটা অংকের টাকা লেনদেনে অনেক সুবিধা হল এই সিদ্ধান্তের ফলে।

দুলক্ষ টাকার ওপরে কোনও অর্থের লেনদেন হলে বা পাঠানো হলে, তা দুঘন্টার মধ্যে নির্ধারিত অ্যাকাউন্টে চলে যাবে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।