কলকাতা: রুদ্রনীল ঘোষের ‘সাতে-পাঁচে থাকি না’ ভিডিওটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল। এবার একই রকমের বিদ্রুপের ভঙ্গিতে নেপোটিজম নিয়ে মুখ খুললেন অভিনেতা রুদ্রনীল। সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর পর থেকে নেপোটিজম বিষয়টি মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। টলিউডের বিতর্ক শুরু হয়েছে এই নেপোটিজম বা স্বজনপোষণকে ঘিরে। অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্রের ভিডিওটি বিশেষ করে রীতিমত বিস্ফোরকের কাজ করেছে।

কিন্তু এই নেপোটিজম কি শুধুমাত্র বিনোদন জগতে? নাকি যে কোন পেশার জগতে দিনের পর দিন ধরে চলে আসছে নেপোটিজম? তাই রুদ্রনীল বিদ্রূপের ভঙ্গিতে প্রশ্ন তুলছেন, স্টার দের ছেলে স্টার হলে তবেই শুধু নেপোটিজম হয়? নাকি যখন উকিলের ছেলে উকিল হয় অথবা শিক্ষকের ছেলে শিক্ষক হয় তখন তাকে নেপোটিজম কি বলা যায় না? তারা কি কোনো সাহায্য ছাড়াই জীবিকার জগতে ঢুকে পড়েন?

আরও পড়ুন: এবার আত্মহত্যার প্ররোচণার মামলা সুশান্তের বান্ধবী রিয়ার বিরুদ্ধে

তাই রুদ্রনীল এর কথায়, “সব জীবিকায় আমি আপনি একটু আধটু নেপো।” কিন্তু তবুও শুধু বিনোদন জগৎ নিয়েই এই নেপোটিজম বা স্বজনপোষণের কথা হয়। রুদ্রনীল বলছেন, নেপোটিজম মানুষকে সুযোগ করে দিতে পারে মাত্র। কিন্তু তিনি শিল্পী হিসেবে নাম করবেন কিনা তা ঠিক করে মানুষ। না হলে সুপারস্টার অমিতাভ বচ্চনের ছেলে অভিষেক বচ্চনও সুপারস্টারই হতেন।

রুদ্রনীলের কথায়, কমবেশি আমরা সবাই সুযোগ নিয়ে ফেলি, অন্য কেউ সুযোগ পেলেই নেপোটিজম বলি। অভিনেতা প্রত্যেককে আত্মসমালোচনা করার বার্তা দিয়েছেন। বলেছেন কোন না কোনভাবে প্রত্যেকেই স্বজনপোষণের সুযোগ নেন। এবং সেটা আজ থেকে নয়। ইতিহাস ঘাঁটলে দেখা যাবে নেপোটিজম যুগ যুগ ধরে চলে আসছে।

আরও পড়ুন: ‘প্রসেনজিৎ-ঋতুর প্রেমের জন্যই কাজ পাইনি, শ্রীলেখার এই মন্তব্যে মুখ খুললেন অশোক ধানুকা

প্রসঙ্গত রুদ্রনীল ঘোষ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাঁর ফেসবুকে নিজের মতামত রাখছেন ভিডিওর মাধ্যমে। অন্য গুলির মতোই নেপোটিজম নিয়ে তাঁর এই বিদ্রুপ বার্তাও মুহূর্তে ভাইরাল হয়।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ