নয়াদিল্লি: হিটলারের সঙ্গে জওহরলাল নেহরুর তুলনা টানল আরএসএস৷ নেহরু জন্মজয়ন্তীর দিন দেশ জুড়ে পালন করা হয় শিশু দিবস৷ আরএসএসের দাবি, শিশুদের প্রতি কোনও ভালোবাসা থেকে নয় বরং অন্য এক উদ্দেশ্য সাধন করতে গিয়ে নেহরু এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন৷

আরএসএসের মুখপাত্র ‘অর্গানাইসার’ এ নেহরুকে নিয়ে একটি প্রতিবেদন বের করা হয়৷ সেখানে বলা হয়েছে, নেহরু শিশুদের ভালোবাসেন বলে যে কথা প্রচার করা হয়েছিল তা সম্পূর্ণ ভুল৷ আসলে সেটা ছিল জনসংযোগ তৈরি করার একটা প্রয়াস৷ সোভিয়েত ইউনিয়ন মাস্টার্স কমরেডস বুলগানিন ও ক্রুশচেভকে খুশি করতে এটা করা হয়েছিল৷ প্রতিবেদনটি লেখেন, কে আর মালকানি৷ যিনি একাধারে সাংবাদিক, ঐতিহাসিক অন্যদিকে রাজনীতিবিদও৷

তিনি লেখেন, অবিভক্ত রাশিয়া থেকে নেতারা আসবেন৷ তাদের সম্মানে অনুষ্ঠান আয়োজন করতে হবে৷ তাই দিল্লির প্রায় সবকটি স্কুল থেকে ছাত্র ছাত্রীদের নিয়ে এসে অনুষ্ঠানের রিহার্সাল দেওয়ানো হত৷ অনুষ্ঠানের প্র্যাকটিসের জন্য কুতুব মিনারের মাঠে ছেলে মেয়ে নির্বিশেষে সব পড়ুয়াকে সেখানে নিয়ে যাওয়া হত৷ ঘণ্টার পর ঘণ্টা চলত প্র্যাকটিস৷ তখন স্কুলগুলিতে পঠন পাঠন শিকেয় উঠেছিল৷ ১৯৫৫ সালে আরএসএস তাদের মুখপত্রে এই নিয়ে একটি প্রতিবেদন লেখে৷ সেখানে শিশুদের মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ আনে আরএসএস৷

প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়েছে হিটলারের জুগেন্দের অনুকরণে দেশে সেরকম কোনও ইয়ুথ ব্রিগেড তৈরির চেষ্টায় ছিলেন নেহরু৷ এর আগে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর সঙ্গে হিটলারের সঙ্গে তুলনা করেছিলেন৷ সেই সময়ও তিনি কংগ্রেসের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে তোপ দেগে বলেছিলেন, ওঁরা গণতন্ত্রকে ডিক্টেটরশিপের দিকে নিয়ে যেতে চাইছে৷ যা হতে দেবে না আরএসএস৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।