বালুরঘাট: তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে হামলা ভাঙচুর ও অগ্নি সংযোগের ঘটনায় যুক্ত থাকার অভিযোগে গ্রেফতার আরএসপির প্রাক্তন কাউন্সিলর। বৃহস্পতিবার রাতে বালুরঘাট থানার পুলিশ অরিজিৎ মহান্ত ওরফে বল্টু নামের নামের আরএসপি’র প্রাক্তন কাউন্সিলরকে এলাকার ট্যাংকমোড় থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

রবিবার ১৭ এপ্রিল রাতে ভোট পরবর্তী হিংসায় বালুরঘাটের বেলতলাপার্ক এলাকার তৃণমূলের দুই কর্মীর বাড়িতে হামলার অভিযোগ ওঠে আরএসপি’র বেশ কয়েকজন সমর্থকদের বিরুদ্ধে। স্থানীয় এক নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলর আরএসপি’র অরিজিৎ মোহান্তর নেতৃত্বে দশ বারো জনের একটি দল সশস্ত্র অবস্থায় এলাকার বাসিন্দা সুব্রত রায় ও খোকন সরকারের বাড়িতে হামলা চালায় বলে অভিযোগ। পেশায় নৈশ প্রহরী সুব্রত রায়কে ওই রাতে বাড়িতে না পেয়ে না পেয়ে তার অসুস্থ স্ত্রী অনিতা রায়কে চুলের মুটি ধরে মারধর মারধর বাড়ি ভাঙচুর ও টাকা গহনা লুঠ করে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ ওঠে। এলাকার আরেক বাসিন্দা খোকন সরকারের বাড়িতেও তারা হামলা চালায়। খোকন সরকারকে মারধর ও তার বাইক ভাঙচুর করে পালিয়ে যায়। ১৭ এপ্রিলের ওই ঘটনায় প্রাক্তন কাউন্সিলর আরএসপির অরিজিৎ মোহান্ত সহ ১২ জনের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়েছিল। ঘটনার রাত থেকেই গা-ঢাকা দিয়েছিলেন প্রাক্তন কাউন্সিলর সহ অভিযুক্তরা সকলেই। গত ১৯ এপ্রিল পুলিশ অভিযুক্তদের মধ্যে দীপঙ্কর দাস, গোলক বিশ্বাস, শক্তি ঠাকুর ও শিবা ঠাকুর নামের আরএসপির চার কর্মীকে গ্রেফতার করে পুলিশ। বৃহস্পতিবার রাতে অরিজিৎ মহান্ত বালুরঘাট শহর থেকে বাইরে পালিয়ে যেতে নিলে গোপন-সূত্রে খবর পেয়ে থানার আইসি সঞ্চয় ঘোষ তাকে ট্যাংকমোড়ের নিকট থেকে গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতার আরএসপির ওই প্রাক্তন কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে বেআইনি ভাবে আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার বাড়িঘর ভাঙচুর ও ছিনতায়ের অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে বলেও পুলিশ জানিয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।