ফাইল ছবি

কলকাতা: ঘূর্ণিঝডে ভালো মতোই ক্ষতি হয়েছে কলকাতা এবং যাদবপুর দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের। যায় প্রাথমিক হিসাব দাড়াচ্ছে পাঁচ কোটি টাকার উপর। এই ক্ষতির কথা জানিয়ে বিকাশ ভবনে রিপোর্ট পাঠানো হয়েছে। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাতটি ক্যাম্পাসে ক্ষতি হয়েছে তিন কোটি টাকার মতো এবং অন্যদিকে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের দুটি ক্যাম্পাসে ক্ষতির অংক দুই কোটি পনেরো লক্ষ টাকার মতো।

যাদবপুর এবং কলকাতায় ঝড়ের জেরে ক্যাম্পাস হোস্টেলের প্রাচীর এবং দেওয়াল ভেঙে গিয়েছে। একাধিক ভবনে কাচের দরজা জানালা ভেঙে গিয়েছে। তাছাড়া বিশেষত জল ঢুকে ল্যাবরেটরির ক্ষতি হয়েছে। মেশিনপত্র কম্পিউটার বৈদ্যুতিক সামগ্রী ইত্যাদিতে জল ঢুকে সেগুলি অকেজো করে দিয়েছে। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজাবাজার এবং বালিগঞ্জ ক্যাম্পাসের বিভিন্ন বিভাগের রয়েছে বেশ কিছু দামী অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি। যেগুলি সবসময় চালিয়ে রাখা দরকার পড়ে। কিন্তু বিদ্যুৎ না থাকায় সেগুলোর ক্ষতি হয়েছে।

একই রকম সমস্যায় পড়েছে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসও। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের মেইন ক্যাম্পাসের ক্ষতি এক কোটি ৭৭ লক্ষ টাকা এবং সটলেক ক্যাম্পাসে ক্ষতি ৩৮ লক্ষ টাকা। দুটি ক্যাম্পাস মিলিয়ে ১৯০ টি গাছ উপড়ে গিয়েছে। পাশাপাশি ভেঙে পড়েছে বিদ্যুৎ এবং টেলিফোনের খুঁটি।

গত সপ্তাহের ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডবে এই দুই বিশ্ববিদ্যালয় রীতিমতো লন্ডভন্ড দশা লক্ষ্য করা গিয়েছে। পাশাপাশি কলেজ স্ট্রিটে প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এই ঝড়ে। সেখানকার ক্যাম্পাসে দীর্ঘক্ষণ জল জমে থাকায় লাইব্রেরী অডিটোরিয়াম পারফর্মিং আর্টস বিভাগ ইত্যাদি স্থানে বেশ কিছু ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষয়ক্ষতি কত সেটা পূর্ত দফতর আপাতত হিসেব করে দেখছে।

ঘূর্ণিঝড় আমফানের তান্ডবে লন্ডভন্ড বাংলা এখনও ছন্দে ফিরে আসেনি৷ এরই মধ্যে শুক্রবার নবান্ন থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানালেন, ঘূর্ণিঝড়ের ফলে বাংলায় মৃত্যু হয়েছে ৯৮ জনের৷ দু’দিন আগেই স্বরাষ্ট্রসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় সাংবাদিক সম্মেলনে জানিয়েছিলেন,আমফানে মৃতের সংখ্যা ৮৬। সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৯৮ জনে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।