আহমেদাবাদ: একেবারে যেন পৌরাণিক গল্প । বাস্তবেও যে এমনটা হয় ভাবতেই পারেননি সুরাটের এক হীরে ব্যবসায়ী । রাজেশ পাণ্ডব নামে সুরাটের কাটাগ্রাম এলাকার এক ব্যবসায়ী ২০০৫ সালে কঙ্গোরখনি থেকে নিলামে ওঠা একটি অবিশদীকৃত হীরে কিনেছিলেন। যার বাজার মূল্য ছিল সেই সময় ২৯হাজার টাকা। ওই ব্যবসায়ী জানিয়েছেন, ওই অবিশদীকৃত হীরেটি কিনে এনে বাড়িতেএসে হীরের প্যাকেটি খুলতেই তাতে দেখি ওই হীরের খণ্ডটির আকৃতি অনেকটা ভগবান গণেশের মতো।

পাণ্ডব পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, এই গণেশ আকারের হীরের টুকরোটিকে বাইরে আনতেই তা দেখতে এখন তাঁদের বাড়িতে ভিড় জমাছে প্রচুর গণেশ উপাসক এবং দর্শকমণ্ডলী। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, লম্বায় ২৪.১১ মিলিমিটার এবং চওড়ায়১৬.৪৯ মিলিমিটার দৈর্ঘের এই গণেশ মূর্তিটি ২৭.৭৪ ক্যারাট হীরের । তাঁরা আরও জানিয়েছেন , বর্তমানে এই হীরের টুকরোটির বাজার মূল্য প্রায় ৫০০ কোটি টাকা।

২০১৬ সাল থেকেই এই বহু মূল্যবান চকচকে হীরেটিকে সুরাটের হীরে ব্যবসায়ীদের আয়োজিত বার্ষিক প্রদর্শনীর অনুষ্ঠানে প্রথম প্রকাশ্যে আনা হয়েছিল। তখন থেকেই এই হীরের গণেশটির কথা ভাল মতো প্রচার পায়৷

এই গণেশের আশীর্বাদ বোঝাতে রাজেশ পাণ্ডব জানান, যখন তিনি এটি কিনেছিলেন তখন তিনি একজন হীরে ব্যবসায়ী মাত্র ছিলেন আর এখন তাঁর হীরে পালিসের একটি ছোট্ট ইউনিট হয়েছে। তাঁর বক্তব্য, যদি ভগবানের উপর আস্থা ভরসা রাখতে পারা যায় তাহলে ভগবানও নিশ্চয় দেখবে৷ তিনি জানিয়েছেন, এই গণেশের মূর্তিটি কেনার ব্যাপারে অনেক লোকই আগ্রহ দেখিয়েছে। কিন্তু তিনি বা তাঁর পরিবারের আপাতত কোনও পরিকল্পনা নেই। এই মূর্তিটিকে রোজ পূজা করা হয় না৷ সারা বছর সিন্দুকে তুলে রাখা হয়। প্রতিবছর গণেশ পুজোর দিনই এটা বাইরে আনা হয় পুজো ও দর্শনের জন্য ৷