নয়াদিল্লি: ফের একবার সরব কংগ্রেস সভাপতি৷ রাফায়েল ইস্যুতে বিজেপি সরকারকে বিঁধলেন তিনি৷ বুধনার ট্যুইট করে রাহুল গান্ধী বলেন কেন্দ্র সরকারের স্কিল ইন্ডিয়া ক্যাম্পেন আসলে ‘S-Kill India’৷ পাশাপাশি, তাঁর অভিযোগ হ্যালের মত সংস্থার থেকে ৩০ হাজার কোটি টাকার বরাত চুরি করে এমন একজনকে দিয়ে দেওয়া হয়েছে, যার বিমান উৎপাদন সম্পর্কে কোনও ধারণাই নেই৷

রাহুল বলেন গত ২০ বছরে সর্বোচ্চ বেকারত্বের হার এখন ভারতে৷ তার ফল ভোগ করছে দেশের যুবকরা৷ কোথাও কোনও কর্মসংস্থান নেই৷ দুর্নীতি ও স্বজনপোষণের সরকার চলছে গোটা দেশ জুড়ে৷

আরও পড়ুন: ফোন চার্জ দিতে ককপিটে ঢোকার বায়না যাত্রীর, তারপর..

কংগ্রেস সভাপতির মতে রাফায়েল চুক্তির বিপুল অসঙ্গতি মানুষের নজরে এসেছে৷ কংগ্রেস এই সংক্রান্ত আরও তথ্য সামনে আনবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি৷ তাঁর ট্যুইটের সঙ্গেই একটি সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট প্রকাশ করেন তিনি৷ যেখানে রাফায়েল চুক্তির বিস্তারিত বিবরণ রয়েছে৷

মঙ্গলবারও এই নিয়ে মুখ খোলেন রাগা৷ তিনি বলেন, যে ব্যক্তি দুর্নীতি দুর করতে এসেছিল, সে নিজেই ৩০,০০০ কোটি টাকা দিয়েছে অনিল আম্বানিকে৷ মজা সবে শুরু হয়েছে, আরও ইন্টারেস্টিং মোড় নিতে চলেছে সবকিছু৷ আগামী দু-তিন মাসে নরেন্দ্র মোদীর বিভিন্ন কাজ- রাফায়েল, বিজয় মালিয়া, ললিত মোদী, নোট বাতিল, গব্বর সিং ট্যাক্স, যখন এসব নিয়ে আমরা সব কিছু তুলে ধরব৷ একের পর এক তথ্য দিয়ে দেখিয়ে দেওয়া হবে নরেন্দ্র মোদী একজন চৌকিদার নয়, একজন চোর৷ রাহুল গান্ধীর এই মন্তব্যের একটি ভিডিও ক্লিপিংসও উঠে আসে বলে জানা যায়৷

আরও পড়ুন: বড় জয়ে তৃতীয় স্থানে উঠে এল অ্যাটলেটিকে

এদিকে, রাফায়েল ইস্যুতে কিছুটা সমস্যায় কেন্দ্র৷ এদিন রাফায়েল চুক্তি নিয়ে প্রতিরক্ষামন্ত্রী নির্মলা সীতারামনকে আইনি নোটিশ পাঠালেন আম আদমি পার্টির সিনিয়র নেতা এবং রাজ্যসভার সাংসদ সঞ্জয় সিং৷ এই নোটিশে সঞ্জয় সিং জানতে চান, ১২৬টি রাফায়েল ডিল চুক্তি বাতিল করে কেন সরকার ৩৬ রাফায়েল নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়৷

জানতে চাওয়া হয় রাফায়েলের একটা জেটের জন্য যেখানে ৫২৬ কোটি লাগে সেখানে পরে ৬৭০কোটি টাকার ডিল কেন করা হয়? সাধারণ মানুষের কষ্টের টাকা সরকার এভাবে ব্যয় করবে কেন?

আরও পড়ুন: রাফায়েল ইস্যু: মোদীকে অস্বস্তিতে ফেলে দায় এড়ালেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট

প্রসঙ্গত, প্রতিরক্ষা মন্ত্রক ২০১৫ সালে ১২৬ রাফায়েল কেনার সিদ্ধান্ত বাতিল করে৷ লিগাল নোটিশে সঞ্জয় সিং দাবি করেন, ফ্রান্সের সরকারের থেকে ২০১৬ সালে করা চুক্তি বাতিল করে ২০১৫ সালের চুক্তিটিতেই যেন জোর দেওয়া হয়৷

আরও পড়ুন: ভারতীয়দের থেকে শেখা উচিৎ পাকিস্তানের: মালিক