মুম্বই: ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিং নিল রাজস্থান রয়্যালস৷ এখনও পর্যন্ত ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে আইপিএলের ৭৮টি ম্যাচ খেলা হয়েছে৷ প্রথম ব্যাটিং করে জিতেছে ৩৭ বার৷ রান তাড়া করে জয় এসেছে ৪২ বার৷ সুতরাং টস জিতে এখানে রান তাড়া করার সিদ্ধান্ত রয়্যালস অধিনায়কের৷

চেন্নাই সুপার কিংস প্রথম ম্যাচে দিল্লি ক্যাপিটালসের কাছে হারলেও দ্বিতীয় ম্যাচে পঞ্জাব কিংসের বিরুদ্ধে জিতে ২০২১ আইপিএলে জয় পেয়েছে৷ আর রাজস্থান রয়্যালস প্রথম ম্যাচে পঞ্জাব কিংসের কাছে হারলেও দ্বিতীয় ম্যাচে দিল্লি ক্যাপিটালসকে হারিয়ে এদিন চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে মাঠে নামল৷ ধোনিদের বিরুদ্ধে টস জিতে প্রথম ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নিলেন রয়্যালস অধিনায়ক স্যামসন৷

টস জিতে রয়্যালস অধিনায়ক স্যামসন বলেন, ‘এই পরিস্থিতিতে প্রথমে বোলিং করতে পেরে খুশি৷ দলের প্রতি এবং সতীর্থদের প্রতি আস্থা রয়েছে৷ এই ফর্ম্যাটে সহজে আউট হওয়া যায়৷ কিন্তু আমাদের ব্যাটিংয়ের গভীরতা রয়েছে৷ এটা আমাদের সাহায্য করছে৷ গত ম্যাচের টিম নিয়ে মাঠে নামছি৷’

টস হেরে ধোনি বলেন, আমরা একই টিম নিয়ে নামছি৷ রীতুরাজ ফর্ম নিয়ে চিন্তা রয়েছে৷ তবে আমার মনে হয় ও দ্রুত রানে ফিরবে৷ গত মরশুমেও একই পরিস্থিতি থেকে ঘুরে দাঁড়িয়েছিল৷ এই পিচে শুরুটা অত্যন্ত জরুরি৷ শিশিরের কথাটাও মাথায় রাখতে হচ্ছে৷ তবে শিরির না-পড়লে এই পিচে ২০০ রানে উঠবে৷’ অর্থাৎ দুই দলই আগের ম্যাচের দল অপরিবর্তিত রেখেছে৷
ওয়াংখেড়ের পিচে প্রথমে ব্যাটিং করে সর্বাধিক স্কোর এক উইকেটে ২৩৫ রান৷ ২০১৫ আইপিএলে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সে বিরুদ্ধে এই স্কোর করেছিল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর৷ আর সর্বনিম্ন স্কোর ৬৭ রান৷ ২০০৮ সালে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে যা করেছিল কলকাতা নাইট রাইডার্স৷ আর রান তাড়া করে সর্বাধিক ১৯৮ তুলে ম্যাচ জিতেছিল মুম্বই ইন্ডিয়ান্স৷ ২০১৯ সালে এই স্কোর করে পঞ্জাবের বিরুদ্ধে জিতেছিল মুম্বই৷

চেন্নাই সুপার কিংস একাদশ: মহেন্দ্র সিং ধোনি (ক্যাপ্টেন), সুরেশ রায়না, রীতুরাজ গায়কোয়াড, অম্বাতি রায়ডু, ফ্যাফ ডু’প্লেসিস, স্যাম কারেন, ডোয়েন ব্র্যাভো, রবীন্দ্র জাদেজা, মোয়েন আলি, দীপক চাহার ও শার্দুল ঠাকুর৷

রাজস্থান রয়্যালস একাদশ: সঞ্জু স্যামসন (ক্যাপ্টেন), জোস বাটলার, রিয়ান পরাগ, রাহুল তেওটিয়া, জয়দেব উনাদকট, ডেভিড মিলার, মনন ভোরা, শিভম দুবে, ক্রিস মরিস, মুস্তাফিজুর রহমান ও চেতন সাকারিয়া৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.