মুম্বই: রুদ্ধশ্বাস লড়াই জিতে জয়ে ফিরল রাজস্থান৷ মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে চার উইকেটে হারাল রয়্যালসবাহিনী৷ ১৮৯ রান তাড়া করে ৩ বল বাকি থাকতেই ম্যাচ জিতে নেয় রাজস্থান৷ রয়্যালসের জয়ের নায়ক জোস বাটলার৷ রাহানেদের জয়ে পয়েন্ট তালিকায় কোনও বদল হয়নি৷ কারণ মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের হারে লিগ তালিকায় দ্বিতীয় স্থান ধরে রাখল কেকেআর৷

বড় রান তাড়া করতে নেমে দারুণ শুরু করে রাজস্থান৷ বাটলার ও রাহানের ওপেনিং জুটি ৬০ রান তোলে৷ কিন্তু ২১ বলে রাহানে ৩৭ রানে ডাগ-আউটে ফিরলেও জোস ধরে রাখেন বাটলার৷ তাঁর বিধ্বংসী ইনিংসে ভর করে ম্যাচ জিতে নেয় রাজস্থান৷ ৪৩ বলে ৮৯ রানের ইনিংস খেলেন বাটলার৷ ৪৩ বলে সাত ছক্কা ও ৮টি বাউন্ডারি মারেন রয়্যালসের এই ইংরেজ ব্যাটসম্যান৷ ২৬ বলে ৩১ রান করেন সঞ্জু স্যামসন৷ শেষ দিকে শ্রেয়স গোপাল ৭ বলে ১৩ রান করে রয়্যালসের জয় সহজ করে দেন৷ শেষ ওভারে রাহানেদের জয়ের জন্য দরকার ছিল ৬ রান৷ প্রথম তিন বলেই কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌঁছে যায় রাজস্থান৷

এদিন ওয়াংখেড়েয় প্রথম ব্যাটিং করে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স ওপেনিং জুটিতে ৯৬ রান যোগ করে৷ শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিলেন রোহিত শর্মা ও ডি’ কক৷ ৬৫ বলে দলকে সেঞ্চুরির দোরগোড়া পৌঁছে দেয় মুম্বইয়ের দুই ওপেনিং ব্যাটসম্যান৷ দলীয় ৯৬ রানে ডাগ-আউটে ফেরেন মুম্বই ক্যাপ্টেন রোহিত৷ কিন্তু লড়াই জারি রেখে ৮১ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলেন রোহিতের ওপেনিং পার্টনার ডি’কক৷ জোফরা আর্চারের বলে ডাগ-আউটে ফেরার আগে ৫২ বলের ইনিংসে চারটি ছক্কা ও ৬টি বাউন্ডারি মারেন মুম্বইয়ের প্রোটিয়া উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান৷

রোহিতকেও ডাগ-আউটে ফেরান আর্চার৷ ৩২ বলে ৪৭ রান করেন মুম্বই অধিনায়ক৷ ছ’টি বাউন্ডারি ও একটি ওভার বাউন্ডারি মারেন রোহিত৷ ওপেনিং জুটির পর অবশ্য বড় রানের পার্টনারশিপ গড়তে পারেনি মুম্বই৷ আগের ম্যাচের নায়ক কাইরন পোর্লাড ১২ বলে মাত্র ৬ রান করে আউট হন৷ তবে শেষ দিকে ১১ বলে ২৮ রান করেন হার্দিক পান্ডিয়া৷ রয়্যালসের সফলতম বোলার আর্চার৷ ৩৯ রান খরচ করে তিনটি উইকেট নেন তিনি৷

এই জয়ের ফলে সাত ম্যাচে ২টি জয় পেল রাজস্থান রয়্যালস৷ অর্থাৎ রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের পর মুম্বইকে হারাল রয়্যালসবাহিনী৷ বিরাটদের হারানোর পর টানা দু’টি ম্যাচ হেরে এদিন ওয়াংখেড়েয় নেমেছিল রাহানে-বাটলাররা৷ কিন্তু ‘মুম্বই বধ’ করে লড়াই জারি রাখল রয়্যালসরা৷