প্রতীকি ছবি

স্টাফ রিপোর্টার,কলকাতা: সল্টলেকে ফের পচাগলা মৃতদেহ উদ্ধার৷ এবার সল্টলেক সি ই ব্লকের ঘটনা৷ বাড়ির গ্যারেজে তিনদিন ধরে পড়ে ছিল নিরাপত্তাকর্মীর দেহ৷ মৃত নিরাপত্তাকর্মী প্রলয় বন্দ্যোপাধ্যায় বেহালার বাসিন্দা৷ বয়স ৬০ বছর৷ তদন্তে নেমেছে পুলিশ৷

পুলিশ সূত্রে খবর, মঙ্গলবার খবর পেয়ে সল্টলেকের সি ই ব্লকের একটি বাড়ি যায় তারা৷ গিয়ে দেখেন সি ই-৬৫ বাড়িটি বন্ধ৷ পুলিশ বন্ধ দরজা ভেঙে ভিতরে ঢোকে, তখনই দেখা যায় বাড়ির গ্যারেজে এক ব্যাক্তি পড়ে আছেন৷ সেখান থেকে তাকে উদ্ধার করে বিধাননগর হাসপাতালে পাঠানো হয়৷ চিকিৎসকরা তখন তাকে মৃত বলে ঘোষনা করেন৷ এরপর তার দেহ ময়না তদন্তের জন্য পাঠানো হয়৷

সল্টলেকের সি ই ব্লকের এই বাড়ির মালিক দীর্ঘদিন ধরে অন্যত্র থাকেন৷ বেহালার বাসিন্দা প্রলয় বন্দ্যোপাধ্যায় কয়েক মাস ধরে ওই বাড়িতে নিরাপত্তাকর্মী হিসেবে কাজ করছেন৷ গতকাল তার মৃতদেহ উদ্ধার হয়৷ সূত্রের খবর তিন দিন আগেই তার মৃত্যু হয়েছে৷ মঙ্গলবার বাড়ির ভিতর থেকে দুর্গন্ধ বেরতে শুরু করলে স্থানীয় বাসিন্দারা পুলিশকে খবর দেয়৷ পুলিশ এসে দরজা ভেঙে নিরাপত্তাকর্মীর দেহ উদ্ধার করে৷ তবে কিভাবে তার মৃত্যু হল ময়না তদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর জানা যাবে৷

আরও পড়ুন : ‘দেশের সর্ববৃহৎ রেল-রোড ব্রিজের পিছনে কোনও কৃতিত্বই নেই বিজেপি সরকারের’

এর আগে সল্টলেকের বিই ব্লকে মায়ের পচাগলা দেহ আগলে বসেছিলেন ছেলে৷ রবিবার প্রবল দুর্গন্ধে ভরে যায় এলাকা। প্রতিবেশীরা খবর দেন পুলিশে। রাতেই পুলিশ গিয়ে মৃতদেহ উদ্ধার করে।জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয় মৃতা কৃষ্ণা ভট্টাচার্যের ছেলে মৈত্রেয় ভট্টাচার্যকে। মায়ের আদেশেই তাঁর দেহ আগলে রাখা হয়েছিল, পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে জানায় মৈত্রেয়৷

তবে ওই ছেলে মানসিক ভারসাম্যহীন বলেই দাবি প্রতিবেশীদের। কতদিন ওই মরদেহ আটকে রাখা হয়েছিল তা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে৷ প্রতিবেশীদের দাবি গত ৬ই ডিসেম্বর মারা যান কৃষ্ণাদেবী৷ পুলিশের অবশ্য প্রাথমিক অনুমান গত সাত দিন আগেই মৃত্যু হয়েছে বৃদ্ধার৷ মৃতা মহিলা পেশায় একজন স্কুল শিক্ষিকা ছিলেন। তাঁর স্বামী ছিলেন এসএসকেএম হাসপাতালের চিকিত্সক। ছাত্র হিসাবে ভালো ছিলেন মৈত্রেয়৷ কয়েকবছর আগেই মারা যান তার বাবা।