শিলিগুড়ি: ফিরলেন রোশন গিরি। শনিবার সন্ধেয় বাগডোগরা বিমানবন্দরে নামেন বিমল গুরুংপন্থী এই মোর্চা নেতা। রোশন গিরিকে বিমানবন্দরে স্বাগত জানাতে বিমলপন্থী নেতা-কর্মীদের উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মতো। ফুলের মালা পরিয়ে তাঁকে স্বাগত জানানো হয় বিমানবন্দরেই। আগামী ৬ ডিসেম্বর পাহাড়ে ফিরছেন বিমল গুরুং। তার আগে পাহাড়-রাজনীতির সাম্প্রতিক পরিস্থিতি বুঝে নিতে এসে গেলেন রোশন।

সাড়ে তিন বছর পর ফের দার্জিলিঙে রোশন গিরি। ফিরছেন গুরুংও। ৬ ডিসেম্বর শিলিগুড়িতে পা রেখেই প্রকাশ্য জনসভা করবেন গুরুং। শনিবার সন্ধেয় বাগডোগরা বিমানবন্দরে পৌঁছেছেন বিমলপন্থী মোর্চা নেতা রোশন গিরি। গুরুং ও রোশন দু’জনেই সাড়ে ৩ বছর পাহাড়-ছাড়া।

একাধিক মামলায় অভিযুক্ত এই দুই রাজনীতিবিদ সম্প্রতি তৃণমূলের সঙ্গে সখ্যতা বাড়িয়েছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রকাশ্যে সমর্থন জানিয়েছেন গুরুং। একুশের বিধানসভা ভোটের পর ফের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই তিনি দেখতে চান বলেও সাফ জানিয়েছেন গুরুং।

শনিবার সন্ধেয় রোশন গিরি বাগডোগরায় নামার পর তাঁকে ঘিরে বিমলপন্থীদের তুমুল উৎসাহে কপালে ভাঁজ বিনয় তামাং, অনীত থাপাদের। সাড়ে তিন বছর কার্যত রাজনীতি থেকে দূরে ছিলেন বিমল গুরুং, রোশন গিরিরা।

নতুন করে পাহাড়-রাজনীতিতে তাঁরা ফের সক্রিয় হলে দলের রাশ ফের হাতছাড়া হওয়ার আশঙ্কায় ভুগছেন বিনয়-অনীতরা। ইতিমধ্যেই নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বিনয় তামাং। পাহাড় রাজনীতিতে যে কোনওভাবেই বিমল গুরুং, রোশন গিরিদের তাঁরা মেনে নেবেন না, একথাও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে স্পষ্টভাবে জানিয়ে এসেছেন বিনয়।

শনিবার সন্ধেয় রোশন গিরিকে স্বাগত জানাতে আসা বহু মোর্চা সমর্থদরা বিমল গুরুঙের ছবি দেওয়া টি শার্ট পড়ে বিমানবন্দরে হাজির হয়েছিলেন। ২০১৭ সালের মাঝামাঝি সময় থেকে উত্তাল হয় পাহাড়। পাহাড়ে রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠক চলাকালীনই ২০১৭ সালের জুন মাসে বিমল গুরুঙের নেতৃত্বে শুরু হয় আন্দোলন-বিক্ষোভ। পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট ছোড়ার পাশাপাশি একাধিক পুলিশের গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। গোটা পাহাড়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। একটানা কয়েক মাস ধরে পাহাড়ে বনধ চলে।

বিমল গুরুং, রোশন গিরিদের নামে মামলা দায়ের করা হয়। তবে পুলিশ নাগাল পাওয়ার আগেই দুজনেই গা ঢাকা দেন। এরপরেও একাধিক রাজ্যে বিমল গুরুং, রোশন গিরিদের ধরতে হানা দেয় রাজ্য পুলিশ। তবে বারবারই পুলিশের হাত ফসকে পালিয়ে যায় দু’জন। অভিযোগ, বিজেপির সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা থাকায় গুরুং, রোশনদের ভিনরাজ্যে গিয়ে গা ঢাকা দিতে সুবিধা হয়।

তবে এবার পরিস্থিতি বদলেছে। বিজেপি-সঙ্গ ছেড়ে তৃণমূলের সঙ্গে সখ্যতা তৈরি হয়েছে বিমল গুরুং, রোশন গিরিদের। প্রকাশ্যে দেখা মিলেছে বিমল গুরুং, রোশন গিরিদের। ৬ ডিসেম্বর পাহাড়ে আসছেন বিমল গুরুং। তাঁর আসার আগে পাহাড়-রাজনীতির সাম্প্রতিক পরিস্থিতি বুঝে নিতে পৌঁছে গেলেন রোশন গিরি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।