কলম্বো: শনিবার গলের বাইশ গজে আগুন ঝরিয়েছিলেন জেমস অ্যান্ডারসন। পাঁচ উইকেট ঝুলিতে ভরে স্যার রিচার্ড হ্যাডলি এবং গ্লেন ম্যাকগ্রার দু’টি ভিন্ন রেকর্ড ভেঙেছিলেন ইংরেজ পেসার। আর রবিবাসরীয় গলে ধ্রুপদী শতরানে টেস্ট ক্রিকেটে সর্বোচ্চ রান সংগ্রহের নিরিখে কেভিন পিটারসন সহ একাধিক প্রাক্তন কিংবদন্তিদের টপকে গেলেন জো রুট। প্রথম টেস্টে ইংরেজ অধিনায়কের ব্যাট থেকে এসেছিল ২২৮ রানের দুরন্ত ইনিংস। আর রবিবার অল্পের জন্য দ্বিশতরান হাতছাড়া করলেও রুটের ব্যাটেই খড়কুটো পেল ইংল্যান্ড।

দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম ইনিংসে ব্যক্তিগত ১৮৬ রানে দুর্ভাগ্যবশত রান আউট হয়ে ফিরলেন ইংরেজ অধিনায়ক। এই প্রথম কেরিয়ারে টানা দু’টি টেস্ট ম্যাচে তিন অংকের রানে পৌঁছলেন জো রুট। দ্বিতীয়দিনের শেষে ৬৭ রানে অপরাজিত রুট এদিন ১৯তম শতরানটি পূর্ণ করেন। সেইসঙ্গে দ্বাদশ ব্যাটসম্যান হিসেবে কেরিয়ারের ৯৯তম টেস্টে শতরান হাঁকালেন ইংরেজ দলনায়ক। ১৯তম টেস্ট সেঞ্চুরিতে প্রাক্তন ইংরেজ কিংবদন্তি লিওনার্দ হাটনকে ছুঁয়ে ফেলেন ইংরেজ অধিনায়ক।

পাশাপাশি টেস্ট ক্রিকেটে রানসংগ্রহের নিরিখে এদিন তিন কিংবদন্তিকে টপকে যান রুট। এঁরা হলেন জিওফ্রে বয়কট, কেভিন পিটারসন এবং ডেভিড গাওয়ার। তিন প্রাক্তনীকে টপকে রুট এখন টেস্ট ক্রিকেটে ইংল্যান্ডের চতুর্থ সর্বোচ্চ রানস্কোরার। ইংরেজ ব্যাটসম্যান হিসেবে সর্বাধিক রানসংগ্রহের নিরিখে এখন রুটের আগে রয়েছেন মাত্র তিনজন ইংরেজ ব্যাটসম্যান। এঁরা হলেন অ্যালিস্টার কুক (১২,৪৭২), গ্রাহাম গুচ (৮,৯০০), অ্যালেক স্টুয়ার্ট (৮,৪৬৩)।

দ্বিতীয় টেস্টে প্রথম ইনিংসে শ্রীলঙ্কার ৩৮১ রানের জবাবে রুটের ১৮৬ রানে ভর করেই রবিবার দিনের শেষে প্রথম ইনিংসে ৩৩৯ রানে পৌঁছে যায় ইংল্যান্ড। হাতে এখনও একটি উইকেট। রুটের শতরান ছাড়াও অর্ধশতরান আসে জোস বাটলারের ব্যাট থেকে। উলটোদিকে এদিন শ্রীলঙ্কার হয়ে বল হাতে নায়ক লাসিথ এম্বুলদেনিয়া। ১৩২ রান খরচ করে ইংল্যান্ডের সাত ব্যাটসম্যানকে প্যাভিলিয়নে ফেরান লাসিথ। প্রথম ইনিংসে ইংল্যান্ড এখনও পিছিয়ে ৪২ রানে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।