মুম্বই: সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যু এখনও মেনে নিতে পারেনি তাঁর ভক্তরা। তাঁর মৃত্যুর দায় চাপানো হয়েছে বলিউডের তাবড় পরিচালক-প্রযোজকদের উপর। পোস্টমর্টেম রিপোর্টে আত্মহত্যা বলে উল্লেখ করা হলেও মৃত্যু নিয়ে জট কাটছে না এখনও।

এবার রহস্য বাড়ল সুশান্তের ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডেল নিয়ে। আর তা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন খোদ বিজেপি সাংসদ রূপা গঙ্গোপাধ্যায়। আগেই সুশান্তের মৃত্যুতে সিবিআই তদন্তের দাবি জানিয়েছিলেন অভিনেত্রী তথা বিজেপি নেত্রী।

বৃহস্পতিবার দুটি ভিডিও ট্যুইট করেছেন রূপা। সেখানে তিনি বলেছেন, সুশান্তের ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডেল থেকে যাদের ফলো করা হয়েছিল অর্থাৎ সুশান্ত যাদের ফলো করেছিল, তাদের এখনও কেউ আনফলো করছে। তিনি প্রথমে একথা শুনলেও বিশ্বাস করেননি বলে জানিয়েছেন রূপা। তবে তিনি নিজেই পরে স্ক্রিনশট নিয়ে দেখেছেন বিষয়টা সত্যি।

অর্থাৎ ফলোয়িং-এর সংখ্যা নাকি ক্রমশ কমছে। এমনটাই দাবি রূপার। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, সুশান্তের ইনস্টাগ্রাম কে হ্যান্ডেল করছে? পুলিশ নাকি অন্য কেউ? ফের একবার সিবিআই তদন্তের আর্জি জানিয়েছেন তিনি।

এর আগে টুইট করে রূপা গঙ্গোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, গত একমাসে সুশান্তের ঘনিষ্ঠ তিনজন আত্মঘাতী হয়েছেন। আর তারপরই ১৪ জুন নিজে আত্মঘাতী হন সুশান্ত। এই চারজনের মৃত্যুর মধ্যে কোনও যোগ আছে বলে মনে করছেন রূপা গঙ্গোপাধ্যায়। তিনি মনে করছেন এই রহস্যের সমাধান একমাত্র করতে পারবে সিবিআই।

কারা এই ৩ ঘনিষ্ঠ বন্ধু? ১৫ মে আত্মঘাতী হন অভিনেতা মনমীত গ্রেওয়াল। তিনিও তাঁর ঘরে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মঘাতী হয়েছিলেন। এরপরে ২৬ মে অভিনেত্রী প্রেক্ষা মেহতা তাঁর বাড়িতে একইভাবে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মঘাতী হন। এরা দুজনেই সুশান্তের বন্ধু বলে জানিয়েছেন রূপা গঙ্গোপাধ্যায়। ৯ জুন ১৪ তলা বহুতল থেকে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেন সুশান্তের প্রাক্তন ম্যানেজার দিশা সালিয়ান। আর তার ঠিক পাঁচ দিনের মাথায় অভিনেতা নিজে আত্মঘাতী হন।

এক মাসের মধ্যে এভাবে একই পথ বেছে নিলেন কেন চারজন? এর পিছনে কি রয়েছে আরো বড় কোনো রহস্য? সেই বিষয়টি প্রকাশ্যে তুলে ধরেছেন রূপা গঙ্গোপাধ্যায়। এবং এই রহস্যের জট একমাত্র সিবিআই ছাড়াতে পারবে বলে মনে করছেন তিনি। রুপার দাবি শুধুমাত্র অবসাদে ভুগে নিজেকে শেষ করে দিতে পারেন না সুশান্ত সিং রাজপুত।

রূপা গঙ্গোপাধ্যায় নিজেও এক সময় আত্মহত্যাপ্রবণ হয়েছিলেন ব্যক্তিগত কারণে। সেই খবর আগেও প্রকাশ্যে এসেছে। কিন্তু তিনি কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছেন না যে সুশান্ত আত্মঘাতী হয়েছেন শুধুমাত্র অবসাদের কারণে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।