তুরিন: মাথা ছুঁইয়ে কেরিয়ারে শততম গোলের নজির গড়লেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো। আর সেই গোলেই তুরিন ডার্বিতে মান বাঁচালো জুভেন্তাস। ফ্লোরেন্তিনাকে হারিয়ে যদিও গত মাসেই টানা অষ্টমবারের জন্য লিগ মুঠোয় পুড়ে নিয়েছে মাসেমিলিয়ানো আলেগ্রির ছেলেরা। তবে তোরিনোর বিরুদ্ধে শুক্রবার পিছিয়ে পড়ে সম্মানের ডার্বি ১-১ গোলে শেষ করল জুভেন্তাস।

১৯৯৫ পর থেকে জুভেন্তাসের ঘরের মাঠে জেতা হয়নি তোরিনোর। এদিনের ডার্বিতে সেই মিথ ভাঙতে বদ্ধপরিকর ছিল তোরিনো। সেই লক্ষ্যে জুভেন্তাসের ঘরের মাঠে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গেই এদিন শুরু করে তারা। জুভেন্তাসে গোলরক্ষককে শুরুতেই কড়া প্রতিদ্বন্দ্বীতার মুখে পড়তে হয়। বেলোত্তির কোনাকুনি শট সেযাত্রায় রক্ষা করেন সেজনি।

আরও পড়ুন: ফাইনালের পথে এক পা গানার্সদের, চেলসির প্রাপ্তি অ্যাওয়ে গোল

কিন্তু ১৮ মিনিটে জোয়াও ক্যানসেলোর খারাপ থ্রোয়ের সুযোগ নিয়ে ম্যাচে এগিয়ে যায় তোরিনো। পিয়ানিচকে কাঁধে নিয়ে ১২ গজ দূর থেকে কোনাকুনি দুরন্ত ভলিতে দলকে এগিয়ে দেন লুকিচ। পিছিয়ে পড়ে টনক নড়ে জুভেন্তাসের। পালটা আক্রমণে গোলের খুব কাছে পৌঁছে যান মাতুইদি। ২৫ গজ দূর থেকে রোনাল্ডোর শট অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। তবে জুভেন্তাসের একাধিক আক্রমণের সামনেও প্রথমার্ধে গোলদুর্গ অক্ষত থাকে তোরিনোর।

আরও পড়ুন: স্মিথ-ওয়ার্নারই বিশ্বকাপে অজিদের আসল নেতা: জাস্টিন ল্যাঙ্গার

দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেও বিপক্ষ রক্ষণে চাপ বাড়াতে থাকে জুভেন্তাস। ৬০ মিনিটের মাথায় স্পিনাজ্জোলার শট ফের অল্পের জন্য পোস্টের সামান্য বাইরে দিয়ে চলে যায়। এরপর মোয়েস কিন-রোনাল্ডোদের শত চেষ্টাতেও ডেডলক খুলছিল না কিছুতেই। গ্যালারিতে তোরিনোর সমর্থকেরা যখন দলের প্রতীক্ষিত জয়ের অপেক্ষায় প্রহর গুনছে, ফের তখনই জুভেন্তাসের ত্রাতা হয়ে উঠলেন সিআর সেভেন।

আরও পড়ুন: বিশ্বকাপে হার্দিকে বাজি ধরছেন যুবরাজ

বাঁ-দিক থেকে স্পিনাজ্জোলার ঠিকানা লেখা ক্রসে মাথা ছুঁইয়ে গোল করে যান পর্তুগিজ সুপারস্টার। একইসঙ্গে দলের হার এড়ান তিনি। তীরে এসেও তরী ডোবে তোরিনোর। ২৪ বছর পর জুভেন্তাসকে তাদের ঘরের মাঠে হারানোর স্বপ্ন শেষ হয়ে যায় ওখানেই। ড্রয়ের পর ৩৫ ম্যাচে জুভেন্তাসের সংগ্রহে ৮৯ পয়েন্ট। অন্যদিকে ৩৫ ম্যাচে ৫৭ পয়েন্ট ঝুলিতে নিয়ে লিগ টেবিলে ছয়ে তোরিনো।