লিসবন: ঝটিকা সফরে ইতালি থেকে দেশে ফিরেছেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো। আর দেশে ফিরেই বিতর্ক বাঁধিয়ে বসলেন পর্তুগিজ সুপারস্টার। দেশে ফিরে বান্ধবী জর্জিনা রডরিগেজকে সঙ্গে নিয়ে লিসবনে তাঁর প্রিয় একটি রেস্তোরাঁয় গিয়েছিলেন জুভেন্তাস তারকা। সেখানে গিয়ে সোশ্যাল ডিসট্যান্সিং উপেক্ষা করে রেস্তোরাঁ মালকিনের সংস্পর্শে গিয়ে বিতর্ক বাঁধিয়ে বসলেন রোনাল্ডো।

যদিও রোনাল্ডোর ক্লাব জুভেন্তাসের তরফ থেকে এবিষয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি এখনও। তবে সিরি-এ শুরুর প্রাক্কালে সোশ্যাল ডিসট্যান্সিংয়ের নিয়ম লঙ্ঘন রোনাল্ডোর মতো একজন পেশাদার ফুটবলারের থেকে প্রত্যাশিত নয়। এমনটাই মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল।

ইতালির তুরিনে গিয়ে ১৪ দিনের কোয়ারেন্টাইনে থাকার পর দলের হয়ে অনুশীলনে নামেন পর্তুগিজ সুপারস্টার। আগামী ২০জুন থেকে করোনা পরবর্তী সময় শুরু হচ্ছে ইতালির প্রিমিয়র ডিভিশন ফুটবল লিগ। তার আগে বান্ধবীকে নিয়ে চলতি সপ্তাহে ঝটিকা সফরে পর্তুগালে ফিরেছেন তারকা। ঝটিকা সফরে এসে সম্প্রতি লিসবনে তাঁর প্রিয় রেস্তোরাঁয় সারপ্রাইজ ভিসিট করেন রোনাল্ডো। ঘটনায় হতবাক হয়ে যান রেস্তোরাঁ মালকিনও।

এরপর রোনাল্ডোর সংস্পর্শে এসে ছবিও তোলেন তিনি। ছবিটি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে রেস্তোরাঁ মালকিন লেখেন, ‘আমি সাধারণত ক্লায়েন্টদের সঙ্গে বিশেষ ছবি তুলি না। কিন্তু এক্ষেত্রে আমি দুঃখিত, ইনি আমার আইডল।’ যদিও রোনাল্ডো প্রিয় রেস্তোরাঁয় যাওয়া নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় কোনও পোস্ট করেননি। তবে রেস্তোরাঁ মালকিনের পোস্টই যথেষ্ট ছিল বিতর্ক বাঁধানোর জন্য।

ছবিতে অন্তত ২ মিটার দূরত্ব রাখা সোশ্যাল ডিসট্যান্সিং’য়ের নিয়ম লঙ্ঘিত হয়েছে। পাশাপাশি বাইরের মানুষের সংস্পর্শে কিংবা মানুষের মধ্যে প্রবেশ করলে অন্যান্য অনেক দেশের মতোই মাস্ক পরিধান বাধ্যতামূলক করেছে পর্তুগাল সরকের। কিন্তু ছবিতে দেখা যাচ্ছে রেস্তোরাঁ মালকিনের সংস্পর্শে গেলেও রোনাল্ডো মাস্কটি মুখে পরে না থেকে হাতে রেখে দিয়েছেন। এক্ষেত্রেও লঙ্ঘিত হয়েছে নিয়ম।

দেশে করোনার প্রকোপ কমায় গত তিন সপ্তাহ ধরে লকডাউনের নিয়ম শিথিল হয়েছে পর্তুগালে। ধীরে ধীরে স্বাভাবিক ছন্দে ফিরছে স্কুল, রেস্তোরাঁ, সিনেমা, কফি শপ প্রভৃতি।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ