ধরমশালা : সেপ্টেম্বরেই শেষ হয়ে যাবে বহু প্রতিক্ষিত রোহতাং টানেল তৈরির কাজ। ওই মাসের শেষ সপ্তাহে তা উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এমনই জানান হিমাচল প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী জয় রাম ঠাকুর।

তিনি বলেন, ৮.৮ কিমি লম্বা এই টানেল লেহ মানালি হাইওয়ের ওপর গড়ে উঠেছে। যে কোনও ঋতুতেই এই টানেল ব্যবহার করা যাবে বলে জানিয়ে তিনি বলেন টানেলটি লাহুল ও স্পিতি জেলাকে জুড়বে।

উন্নত হবে এলাকার বাসিন্দাদের জীবনযাত্রার মান। উন্নত হবে যোগাযোগ ব্যবস্থা। সীমান্তের প্রত্যন্ত গ্রামের বাসিন্দাদের সঙ্গেও যোগাযোগ রাখা সম্ভব বলে এখন বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। কৌশলগত দিক থেকে এই টানেল বেশ গুরুত্বপূর্ণ। তৈরি করতে মোট খরচ পড়েছে ৩২০০ কোটি টাকা।

এর মাধ্যমে খুব দ্রুত সীমান্তে পৌঁছনো বা যোগাযোগ সম্ভব বলে জানিয়েছেন জয় রাম ঠাকুর। চিনের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতির কথা মাথায় রেখে টানেলের কাজ দ্রুত শেষ করা হচ্ছে। নয়াদিল্লি এর আগে জানিয়েছিল চিন লাদাখে যা করেছে, তাতে আর কোনোভাবেই তাদের বিশ্বাস করা যাচ্ছে না।

তাই অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে। শুধু লাদাখ নয়, হিমাচল প্রদেশ, উত্তরাখণ্ড, সিকিম ও অরুণাচল প্রদেশেও বাহিনী মোতায়েন করেছে ভারত।’ হিমাচল প্রদেশে অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে চিন সীমান্ত জুড়ে। ইতিমধ্যেই ওই এলাকা পরিদর্শন করেছেন লেফট্যানেন্ট এনারেল আরপি সিং।

উত্তরাখণ্ডেও একই ছবি। সব সীমান্তেই চলছে কড়া নজরদারি। পিথোরাগড়ের কাছে গাড়োয়াল ও কুমায়ুন সেক্টরে সেনা মোতায়েন করা হয়েছে। উত্তরাখণ্ডে একটা অ্যাডভান্স ল্যান্ডিং গ্রাউন্ডও কার্যকর করে রেখেছে ভারতীয় বায়ুসেনা। ফলে এই ধরণের টানেল যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি ঘটালে আখেরে চাপে থাকবে চিনা সেনা, তা বুঝেছে ভারত।

উল্লেখ্য এই রোহতাং টানেলের রূপকার প্রয়াত প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারী বাজপেয়ী। তিনিই প্রথম ২০০০ সালে বলেছিলেন রোহতাং পাসে একটি টানেল গড়া হবে। হিমাচল প্রদেশের মানুষের সঙ্গে বাজপেয়ী যোগাযোগ বা সম্পর্ক ভালো ছিল বলে জানান বিশেষজ্ঞরা।

সেই কথা স্মরণ করেই এই টানেলের নাম অটল টানেল করার প্রস্তাব ওঠে। দেশের মধ্যে সর্বোচ্চ সড়ক টানেল এই রোহটাং টানেল। এই টানেল মানালি ও লাহুল স্পিতির দূরত্ব কমাবে।

পপ্রশ্ন অনেক: নবম পর্ব

Tree-bute: আমফানের তাণ্ডবের পর কলকাতা শহরে শতাধিক গাছ বাঁচাল যারা