মুম্বই: বাইশ গজে তিনি যেভাবে প্রতিপক্ষ বোলারদের বিরুদ্ধে দাপুটে ব্যাটিং করেন, ঠিক সেই ভাবেই করোনা মোকাবিলায় এগিয়ে এলেন রোহিত শর্মা৷ করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ৮০ লক্ষ টাকা দান করেন টিম ইন্ডিয়ার এই ডানহাতি ওপেনার৷

মঙ্গলবার নিজের টুইটারে করোনা মোকাবিলায় অর্থ সাহায্যের কথা নিজেই জানান বিরাট কোহলির ডেপুটি৷ ৮০ লক্ষ টাকার মধ্যে প্রধানমন্ত্রী রিলিফ ফান্ডে ৪৫ লক্ষ টাকা, মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী রিলিফ ফান্ডে ২৫ লক্ষ টাকা দেওয়ার কথা ঘোষণা করেন রোহিত৷ এছাড়াও দেশের ক্ষুধার্তদের জন্য ৫ লক্ষ টাকা এবং ওয়েলফেয়ার স্ট্রে ডগসদের জন্য ৫ লক্ষ টাকা দেওয়ার কথা জানান ‘হিটম্যান’৷

সোমবারই করোনা মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রী ও মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী রিলিফ ফান্ডে অর্থ সাহায্য করেছেন টিম ইন্ডিয়ার ক্যাপ্টেন বিরাট কোহলি৷ তবে ভারতীয় ক্রিকেটের ‘ফার্স্ট ম্যান’ ও ‘ফার্স্ট লেডি’ করোনা মোকাবিলায় ঠিক কত টাকা দান করেছেন তা বলেননি৷ সুতরাং এখনও পর্যন্ত ভারতীয় ক্রীড়াবিদদের মধ্যে রোহিতের অবদানই সর্বোচ্চ৷

তবে বিশ্ব মহামারী করোনার তহবিলে এবার সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিলেন মাস্টার-ব্লাস্টার৷ মারণ ভাইরাস মোকাবিলায় দেশের করোনা তহবিলে ৫০ লক্ষ টাকা অনুদান করেন ভারতীয় ক্রিকেটের মহীরুহ৷ তখনও পর্যন্ত ভারতীয় খেলোয়াড়দের মধ্যে এটা সবচেয়ে বেশি৷ ভারতের ক্রীড়া ব্যক্তিত্বদের মধ্যে করোনা তহবিলে সচিনের এই অনুদান এখনও পর্যন্ত সর্বাধিক৷ রাজ্য এবং দেশের করোনা তহবিলে সমান অঙ্কের অর্থ অনুদানে এগিয়ে এসেছেন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ১০০টি সেঞ্চুরির মালিক৷ এমনকি এক সূত্র মারফত পিটিআই’কে জানানো হয়েছে সচিন এক্ষেত্রেও প্রাথমিকভাবে তাঁর পরিচয় গোপন রাখার আবেদন জানিয়েছিলেন৷

করোনা মোকাবিলায় ভারতীয় ক্রিকেটারের মধ্যে প্রথম এগিয়ে এসেছিলেন প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক তথা বিসিসিআই প্রেসিডেন্ট সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়৷ প্রথমে ৫০ লক্ষ টাকা চাল দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছিলেন তিনি৷ তারপর আরও ৫০ লক্ষ টাকা মুখ্যমন্ত্রীর রিলিফ ফান্ডে দেওয়ার কথা ঘোষণা করেন সৌরভ৷ সিএবি-র পক্ষ থেকেও ২৫ লক্ষ টাকা দেওয়া হয় রাজ্যের রিলিফ ফান্ডে৷ এছাড়াও প্রধানমন্ত্রীর তহবিলে ৫২ লক্ষ টাকা অনুদান তুলে দিয়েছেন সুরেশ রায়নাও। প্রাক্তন ক্রিকেটার তথা বিজেপি বিধায়ক গৌতম গম্ভীরও দান করেছেন ৫০ লক্ষ টাকা।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ