মুম্বই: গোটা পৃথিবীর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে এদেশেও দিন-দিন বাড়ছে করোনা আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের সর্বশেষ রিপোর্ট অনুযায়ী ভারতের মারণ ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ১১০ ছুঁয়েছে। বিশ্বজুড়ে করোনার বলি ৬ হাজারেরও বেশি মানুষ। প্রকোপ ঠেকাতে বিভিন্ন রাজ্যে ইতিমধ্যেই বন্ধ হয়েছে স্কুল-কলেজ, থিয়েটার, জিম। খুব বেশি সংখ্যায় মানুষের একত্রিত হওয়ার উপরেও জারি হয়েছে নির্দেশিকা।

নোভেল করোনা আতঙ্কে বিশ্বজুড়ে স্তব্ধ খেলার মাঠ। বিভিন্ন দেশে একাধিক অ্যাথলিটের শরীরে ধরা পড়েছে মারণ ভাইরাসের নমুনা। বিশ্বের প্রথমসারির ফুটবল দলগুলো তাদের ফুটবলারদের ভলেন্টারি আইসোলেশনে রাখার ব্যবস্থা নিয়েছে ইতিমধ্যে। এমন কঠিন সময়ে অনুরাগীদের উদ্দেশ্যে বার্তা নিয়ে হাজির হচ্ছেন তারকা অ্যাথলিটরা। তালিকায় নয়া সংযোজন রোহিত শর্মা। এক ভিডিওবার্তায় সম্প্রতি হিটম্যান জানালেন, গোটা বিশ্বের এমন চেহারায় তিনি মর্মাহত।

উদ্বিগ্ন রোহিত ভিডিওবার্তায় অনুরাগীদের জানিয়েছেন, ‘আমি কয়েকটা বিষয়ে কথা বলতে চাই। গত কয়েক সপ্তাহ ভীষণ কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি আমরা। কার্যত স্তব্ধ গোটা বিশ্ব যা আমায় ভীষণই আঘাত দিচ্ছে। স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে গেলে আমাদের একত্রিত হতে হবে।’ আর সে কারণে ঠিক কী কী করা উচিৎ তাও ভিডিওবার্তায় জানিয়েছেন রোহিত।

হিটম্যানের কথায়, ‘এমন সময় আমাদের কিছুটা স্মার্ট হতে হবে। আরও বেশি সক্রিয় হতে হবে। চারপাশে ভালো করে নজর রাখতে হবে আর দুর্বলতার কোনও লক্ষ্মণ দেখা দিলেই নিকটবর্তী চিকিৎসা কেন্দ্রে যোগাযোগ করাটা আবশ্যক। কারণ আমরা সবাই চাই আমাদের বাচ্চারা সুস্থ থেকে স্কুল যাক, আমরা মলে যাই, থিয়েটারে সিনেমা দেখতে যাই।’

একইসঙ্গে এমন উদ্বেগের মধ্যেই যে সকল ডাক্তার কিংবা স্বাস্থ্যকর্মীরা আক্রান্তদের চিকিৎসার্থে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলেছেন তাদের কুর্নিশ জানিয়েছেন রোহিত। উল্লেখ্য, নোভেল করোনা আতঙ্কে চলতি বছর বিশ বাঁও জলে আইপিএলের ভবিষ্যৎ। ১৫ মার্চ অবধি পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে কোটিপতি লিগ।

তবে আদৌ ওই সময়ে শুরু করা সম্ভন কীনা সেটা নির্ভর করবে পরিস্থিতির উপর। অর্থাৎ আইপিএল আয়োজনের ক্ষেত্রে বোর্ড এখন ‘ওয়েট অ্যান্ড ওয়াচ’ নীতি গ্রহণ করেছে। পাশাপাশি দেশের মাটিতে বন্ধ সমস্ত ঘরোয়া ক্রিকেট টুর্নামেন্টও। মাঝপথে বাতিল হয়েছে ভারত-দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজও।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনাকালে বিনোদন দুনিয়ায় কী পরিবর্তন? জানাচ্ছেন, চলচ্চিত্র সমালোচক রত্নোত্তমা সেনগুপ্ত I