রাঁচি: ছক্কা হাঁকিয়ে দ্বিশতরান। চলতি টেস্ট সিরিজে ব্যাট হাতে ৫০০ রান। ৪১তম জন্মদিনে প্রাক্তন ওপেনার বীরেন্দ্র সেহওয়াগকে তাঁর ধ্রপদী ব্যাটিংয়ের মধ্যে দিয়েই যোগ্য সম্মান জানালেন ‘হিটম্যান’। একইসঙ্গে পঞ্চম ভারতীয় ব্যাটসম্যান হিসেবে ভিনু মানকড়, সুনীল গাভাস্কর, বীরেন্দ্র সেহওয়াগদের সঙ্গে এলিট ক্লাসে নিজেকে উন্নীত করলেন রোহিত গুরুনাথ শর্মা।

একটি টেস্ট সিরিজে ৫০০ বা তার বেশি রান হাঁকানোর তালিকায় এতদিন ছিলেন চারজন ভারতীয় ব্যাটসম্যান। ভিনু মানকড়, বুধি কুন্দেরান, সুনীল গাভাস্কর ও বীরেন্দ্র সেহওয়াগের পর চলতি টেস্ট সিরিজে রবিবার সেই নজিরের অংশীদার হলেন মুম্বইকার ব্যাটসম্যান। ওপেনার হিসেবে অভিষেক টেস্ট সিরিজে রোহিতের এই কৃতিত্বে কোনও প্রশংসাই যথেষ্ট নয়। ঝাড়খন্ড ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন স্টেডিয়ামে এদিন ১৮৩ রান করার সঙ্গে সঙ্গে অচিরেই এলিট ক্লাবে নিজের নাম খোদাই করে নেন রোহিত গুরুনাথ শর্মা।

এরপর টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেক দ্বিশতরান গড়ে ফের একটি নজির গড়েন ভারতীয় ওপেনার। বিশ্বের চতুর্থ ও তৃতীয় ভারতীয় ব্যাটসম্যান হিসেবে ওয়ান-ডে’র পর টেস্ট ক্রিকেটে দ্বিশতরানের নজির গড়লেন ‘হিটম্যান’। এর আগে কেবল সচিন তেন্ডুলকর, বীরেন্দ্র সেহওয়াগ ও ক্রিস গেইলের ঝুলিতে ছিল এই নজির।

উল্লেখ্য, কেরিয়ারে ৫টি টেস্ট সিরিজে ব্যাট হাতে ৫০০ বা তার বেশি রান গড়ার নজির রয়েছে সুনীল গাভাস্করের। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ২০০৫ শেষবার ভারতীয় ব্যাটসম্যান হিসেবে এই নজির এসেছিল বীরুর ব্যাট থেকে। ১৪ বছর বাদে বীরুর জন্মদিনেই সেই নজির স্পর্শ করলেন রোহিত, যা যথেষ্ট ইঙ্গিতবহ। সেবার ৩ ম্যাচের টেস্ট সিরিজে বীরুর ব্যাট থেকে এসেছিল ৫৪৪ রান। আর চলতি সিরিজে আপাতত রোহিতের সংগ্রহ ৫২৯ রান। আরও একটি ইনিংসে ব্যাট করার সুযোগ হাতে থাকছে ২০১৯ বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকের।

প্রথমদিন ১১৭ রানে অপরাজিত থাকা রোহিত শর্মা এদিন মধ্যাহ্নভোজের বিরতির ঠিক পরেই কেরিয়ারের পয়লা নম্বর টেস্ট দ্বিশতরানটি হাসিল করেন। মিড উইকেটের উপর দিয়ে লুঙ্গি এনগিদিকে ছক্কা হাঁকিয়ে ডাবল টন সম্পূর্ণ করেন ভারতীয় ওপেনার। শতরান করে ১১৫ রানে আউট হন আজিঙ্কা রাহানে। চতুর্থ উইকেটে দুই ব্যাটসম্যানের নির্ভরযোগ্য ২৬৭ রানের পার্টনারশিপে ভর করেই বড় রানের লক্ষ্যে এগিয়ে যায় ভারত। যদিও দ্বিশতরানের পর ইনিংস দীর্ঘস্থায়ী হয়নি রোহিতের। ২১২ রানে রাবাদার বলে এনগিদির তালুবন্দি হন তিনি। ২৮টি চার ও ৬টি ছক্কায় সাজানো ছিল রোহিতের ইনিংস।

দলীয় ৩৭০ রানের মাথায় রোহিত আউট হওয়ার পর ভারতের ইনিংসকে এগিয়ে নিয়ে যান রবীন্দ্র জাদেজা। ৫১ রান আসে এই অল-রাউন্ডারের ব্যাট থেকে। যদিও ব্যাট হাতে সফল হতে পারলেন না ঋদ্ধিমান সাহা। ফিরলেন ২৪ রানে। শেষদিকে উমেশ যাদবের ৩১ রানে ভর করে পাঁচশোর দোরগোড়ায় পৌঁছে যায় ভারতের রান। দ্বিতীয়দিন চা পানের বিরতির আগে ৯ উইকেটে ৪৯৭ রান তুলে প্রথম ইনিংস ডিক্লেয়ার করে ভারত। ৪ উইকেট জর্জ লিন্ডের, রাবাদার ঝুলিতে ৩ উইকেট।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।