ঢাকা: মায়ানমার থেকে বিতাড়িত ও পরে ৮০-৯০ দশকে সৌদি আরবে চলে যাওয়া রোহিঙ্গাদের বেশিরভাগই পাসপোর্ট নেই। এই বিষয়ে সৌদি সরকারের চাপের মুখে বাংলাদেশ।

তবে কোনও অবস্থায় নরম হবে না বাংলাদেশ। রিয়াধকে এমনই কূটনৈতিক বার্তা দিল ঢাকা। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমের খবর, সৌদি আরবে থাকা ৫৪ হাজার রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশি পাসপোর্ট দেওয়ার জন্য চাপ দিচ্ছে সে দেশের সরকার।

ঢাকায় বিদেশমন্ত্রী একে আব্দুল মোমেন জানান, সৌদি আরবের তৎকালীন বাদশা স্বপ্রণোদিত হয়ে এবং রোহিঙ্গাদের দুর্দশা দেখে ৮০ ও ৯০-এর দশকে অনেক রোহিঙ্গাকে নিয়ে গেছেন। অনেকে সরাসরি গেছে। কেউ কেউ হয়তো বাংলাদেশ হয়ে গেছে। এখন তারা বলছে ৫৪ হাজার রোহিঙ্গা সেখানে আছে। এদের কোনও পাসপোর্ট ও কাগজ নেই। তারা আরও বলছে, এদের তোমরা পাসপোর্ট ইস্যু করো। আমরা বলেছি, যারা আগে পাসপোর্ট পেয়েছে এবং তাদের পাসপোর্টের কাগজ যদি থাকে তবে আমরা নতুন পাসপোর্ট ইস্যু করবো। কিন্তু এরা যদি আমাদের লোক না হয়, তবে আমরা নেবো না।

বি়ভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমের খবর, এই রোহিঙ্গারা ৩০-৪০ বছর ধরে সৌদি আরবে রয়েছে। সে দেশের সরকার এদের অনেককে নিয়ে গিয়েছিল। এখন সৌদি সরকারের অবস্থান রোহিঙ্গাদের পাসপোর্ট না দিলে সেখানে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের ফেরত পাঠানো হবে।

যদিও সৌদি সরকার সরাসরি এমন কোনও বার্তা দেয়নি। বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী জানান, ‘জুনিয়র লেভেলে কেউ কেউ বলছে তোমরা যদি এদের না নাও বা পাসপোর্ট ইস্যু না করো তবে তোমাদের দেশ থেকে এত লোক আনছি, এটা আমরা বন্ধ করে দেবো এবং তোমাদের যে ২২ লাখ লোক আছে তাদের সম্পর্কে নেতিবাচক অবস্থান নেবো। এই কথাগুলি জুনিয়র লেভেল থেকে আমাদের বলা হয়েছে। কিন্তু আমার মনে হয় এটি টিকবে না।’

তিনি বলেন, ‘ সৌদি আরবের কিছুটা তাগাদা আছে। তারা বলছে, নাগরিকত্বহীন কোনও ব্যক্তি তারা রাখবে না। তারা বলছে তোমরা এটি তাড়াতাড়ি ব্যবস্থা করো। আমরা আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছি। প্রায়ই তারা এ প্রশ্নটা তোলে।’

রোহিঙ্গাদের পাসপোর্ট না দিলে অন্য বাংলাদেশিদের ফেরত পাঠানো হবে বলে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এই বিষয়ে জানতে চাইলে বিদেশমন্ত্রী বলেন, বিদেশ সচিবের নেতৃত্বে একটি কমিটি বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন।

পচামড়াজাত পণ্যের ফ্যাশনের দুনিয়ায় উজ্জ্বল তাঁর নাম, মুখোমুখি দশভূজা তাসলিমা মিজি।