ঢাকা:  বর্তমান পরিস্থিতিতে সীমান্তে ক্রমশ ঘোরতর হচ্ছে রোহিঙ্গা শরনার্থী। মায়ানমার সেনাবাহিনীর অকথ্য অত্যাচারে এখন মাথা গোজার ঠাই খুঁজছে কয়েক হাজার রোহিঙ্গা শরনার্থী। আর এইভাবেই একটি দল কাঁটাতাঁর পেরিয়ে বাংলাদেশের টেকনাফে পালিয়ে এসেছে। আর সেখানে দাঁড়িয়ে এক রোহিঙ্গা ‌যুবতী যে ভয়ঙ্কর কাহিনী শোনাল তা শুনলে গায়ে কাঁটা দেবে।

রোহিঙ্গা ‌যুবতী  সংবাদ মাধ্যমে জানিয়েছেন, মায়ানমার সেনারা তাদের উপর ভয়ঙ্কর অত্যাচার চালিয়েছে। তাঁর কথায়, বিছানার আমাদের দুই বোনকে বেঁধে রেখে একের পর এক সেনা আমাদের ধর্ষণ করেছে। দিনের পর দিন খেতে পাইনি। কোনওক্রমে প্রাণ নিয়ে পালিয়ে এসেছি। সে জানাচ্ছে, তাদের বাস ছিল রাকাইন প্রদেশের উদাং গ্রামে। কিন্তু বেশিদিন সেটা স্থায়ী হয়নি। কারণ কিছুদিনের মধ্যেই মায়নামার সেনারা এসে তাদের ঘর জ্বালিয়ে দিল। ধর্ষণ করল। বুড়ো বাবাকে খুন করল। ‌যাবার আগে বলে গেল, আর কখনও এলাকায় দেখলে খুন করে ফেলবে।

শুধু বর্তমান পরিস্থিতিতে এই ঘটনা নয়, আগেও রোহিঙ্গাদের উপর অত্যাচারের নজির রয়েছে মায়ানমার সেনাবাহিনীর। রাষ্ট্রসংঘ ইতিমধ্যেই একে এথনিক ক্লিনজিং বলে বর্ণনা করেছে। মায়ানমার থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে পালিয়ে আসছে হাজারো রোহিঙ্গা। জলপথে তাঁরা বাংলাদেশে ঘাঁটি গাড়ছে। কিন্তু সেখানেও বিপদ। পালটা তাদের উপর প্রত্যাঘাত চলছে। সব মিলিয়ে রোহিঙ্গা ইস্যুতে ঘোরতর হচ্ছে পরিস্থিতি।