তেহেরান:  মায়ানমারের রোহিঙ্গা মুসলমানদের ওপর চলা হত্যাকাণ্ড মুসলিম-বিরোধী একটি সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র বলে মনে হচ্ছে। এমনটাই দাবি করল ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসি।

আইআরজিসি এক বিবৃতিতে বলেছে, রোহিঙ্গা মুসলমানদের ওপর মায়ানমারের সামরিক বাহিনীর এই ভয়াবহ অপরাধ বন্ধ না হলে মানব ইতিহাসে আরেকটি বড় রকমের গণহত্যার ঘটনা ডেকে আনবে। সারা বিশ্বের বিভিন্ন অংশে মর্মান্তিক ঘটনার পরও মানবাধিকারের কথিত ধ্বজাধারীদের দ্বৈত ভূমিকার নিন্দা করে আইআরজিসি বলেছে, তাদের এই সাংঘর্ষিক তৎপরতার বিশেষ অর্থ আছে। রোহিঙ্গা মুসলমানদের ওপর গণহত্যার সময় অকার্যকর বৈশ্বিক ভূমিকা এবং মানবাধিকার সংগঠনগুলোর ঘাতক নীরবতা ও অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে শক্তিশালী দেশগুলোর পক্ষ থেকে একমত হতে না পারা আজকের বিরাট মানবিক বিপর্যয়।

আইআরজিসি আরও বলেছে, মায়ানমারের সামরিক বাহিনীর হত্যা ও নির্যাতনের মুখে এক লাখের বেশি মানুষের শরণার্থী হওয়া এবং চারশরও বেশি অসহায় মানুষকে হত্যা করার কারণে মুসলিম বিশ্বে মারাত্মক ক্ষোভ সৃষ্টি করেছে। মর্মান্তিক এই ঘটনার পর মায়ানমার সরকারের দায়িত্ব আরও বেড়ে গেছে বলে আইআরজিসি মনে করে। এই করুণ পরিস্থিতিতে রোহিঙ্গা মুসলমান যাদের বেশিরভাগই সুন্নি তাদেরকে উদ্ধারের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এবং মুসলিম দেশগুলোর সহায়তা নিয়ে ইরান সরকার কাজ করবে। এবং বিপ্লবী কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু করবে বলে বিবৃতিতে আইআরজিসি আশা প্রকাশ করেছে।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ