লন্ডন: ইতিহাসের দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে রজার ফেডেরার৷ এমন এক কৃতিত্ব যা, অর্জন করা মোটেও সহজ নয়৷ মঙ্গলবার উইম্বলডনের কোর্টে পা দিলেই ইতিহাসের পাতায় জায়গা করে নেবেন সুইস কিংবদন্তি৷

উইম্বলডন বরাবরের প্রিয় গ্র্যান্ড স্ল্যাম ইভেন্ট ফেডেরারের৷ ওপেন যুগে টুর্নামেন্টের ইতিহাসে সব থেকে সফল মেনস সিঙ্গলস তারকা তিনিই৷ সর্বাধিক ৮ বার উইম্বলডন চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন রজার৷ ফাইনালে উঠেছেন আরও ৩ বার৷ তবে মঙ্গলবার টুর্নামেন্টের প্রথম রাউন্ডের ম্যাচ খেলতে এসডব্লু-১৯’এ পা দেওয়া মাত্র বিরল এক নজির গড়বেন তিনি৷ ইতিমধ্যেই উইম্বলডনে দু’দশক কাটিয়ে ফেলেছেন ফেডেক্স৷ চলতি টুর্নামেন্টটি হতে চলেছে তাঁর কেরিয়ারের ২১তম উইম্বলডন৷ তাও আবার একটানা৷ অর্থাৎ দু’দশক পার করে উইম্বলডনে তৃতীয় দশক শুরুর অপেক্ষায় রয়েছেন ফেডেরার৷

১৯৯৯ সালে মাত্র ১৭ বছর বয়সে প্রথমবার উইম্বলডনের মূলপর্বে অংশ নেন ফেডেরার৷ সেবার প্রথম রাউন্ডেই পাঁচ সেটের লড়াইয়ে হেরে যান জিরি নোভাকের কাছে৷ ২০০০ এবং ২০০২ সালেও প্রথম রাউন্ডেই শেষ হয় ফেডেরারের উইম্বলডন অভিযান৷ মাঝে ২০০১ সালে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছিলেন তিনি৷

২০০৩ সালে মার্ক ফিলিপাউসিসকে হারিয়ে প্রথমবার উইম্বলডন চ্যাম্পিয়ন হন ফেডেরার৷ সেটি ছিল তাঁর কেরিয়ারের প্রথম গ্র্যান্ড স্ল্যাম ট্রফি৷ পরের বছর উইম্বলডন ছাড়াও অস্ট্রেলিয়ান ওপেন ও যুক্তরাষ্ট্র ওপেনের চ্যাম্পিয়ন হন রজার৷ তবে উল্লেখযোগ্য বিষয় হল উইম্বলডনের প্রথম ট্রফি জেতার ঠিক আগের বছরে প্রথম রাউন্ড থেকে বিদায় নিয়েছিলেন ফেডেরার৷ অর্থাৎ ২০০২ সালের ফার্স্ট রাউন্ডে বিদায় নেওয়া রজার পরের বছর দ্য চ্যাম্পিয়নশিপের খেতাব ঘরে তোলেন৷ অন্য গ্র্যান্ড স্ল্যামগুলিতে নিজের প্রথম ট্রফি জেতার আগের বছর অন্তত চতুর্থ রাউন্ড পর্যন্ত পৌঁছেছিলেন তিনি৷

২০০৩ থেকে ২০০৭ পর্যন্ত টানা পাঁচ বার উইম্বলডন চ্যাম্পিয়ন হন ফেডেরার৷ ২০০৮’এর ফাইনালে হেরে গেলেও ২০০৯ সালে আবার উইম্বলডনে বিজয় পতাকা ওড়ান সুইস তারকা৷ ২০১২ ও ২০১৭ সালে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার মাঝে ২০১৪ ও ২-১৫ সালে পর পর দু’বার রানার্স হয়ে অভিযান শেষ করেন তিনি৷

গত বছর কোয়ার্টার ফাইনালে হেরে যাওয়া ৩৭ বছর বয়সি ফেডেক্স এবার অভিযান শুরু করবেন দক্ষিণ আফ্রিকার লয়েড হ্যারিসের বিরুদ্ধে৷ দ্বিতীয় বাছাই হিসাবে কোর্টে নামতে চলা রজারের সামনে কেরিয়ারের নবম উইম্বলডন জেতার হাতছানি রয়েছে৷ তবে এক্ষেত্রেও তাঁকে টপকাতে হবে রাফায়েল নাদাল ও নোভাক জকোভিচের বাধা৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।