লন্ডন: কোনও সেট না-হারার রেকর্ড অক্ষুণ রেখেই উইম্বলডনে পুরুষ সিঙ্গলসের কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছলেন রজার ফেডেরার৷ সোমবার শেষ ষোলোর লড়াইয়ে ফ্রান্সের আদ্রিয়ান ম্যানারিনোকে স্ট্রেট সেটে (৬-০, ৭-৫, ৬-৪) হারিয়ে শেষ আটে ওঠেন শীর্ষ বাছাই রজার৷ বুধবার কোয়ার্টার ফাইনালে অ্যান্ডারসন ও মনফিলসের বিজয়ীর সঙ্গে খেলবেন ফেডেরার৷

সেন্টার কোর্টে এদিন মাত্র ১৬ মিনিটে প্রথম সেট পকেটে পুরে নেন আটবারের উইম্বলডন চ্যাম্পিয়ন ফেডেরার৷ ২২ নম্বর বাছাই ম্যানারিনো প্রথম খেলোয়াড় যিনি চলতি টুর্নামেন্টে ফেডেরারের বিরুদ্ধে ব্রেক পয়েন্ট পেয়েছিলেন৷ যদিও তা কাজে লাগাতে পারেননি ফরাসি খেলোয়াড়৷

এদিনও স্ট্রেট সেটে জিতে অল ইংল্যান্ড ক্লাবে টানা ৩২ সেট অপরাজিত থাকার রেকর্ড অক্ষুণ রাখেন ফেডেরার৷ তবে নিজের রেকর্ড ছুঁতে আর মাত্র দু’টি ম্যাচ স্ট্রেট সেটে জিততে হবে সুইস তারকাকে৷ ২০০৫ তৃতীয় রাউন্ড থেকে ২০০৬ ফাইনাল পর্যন্ত টানা ৩৪টি ম্যাচে কোনও সেট না-হারার রেকর্ড রয়েছে ফেডেরারের৷ এবার কোনও সেট না-হেরে চ্যাম্পিয়ন হলে নিজেকে ছাপিয়ে নতুন রেকর্ড গড়বেন ২০টি গ্র্যান্ড স্ল্যামের মালিক৷

এদিন এক ঘণ্টা ৪৫ মিনিটের লড়াইয়ে মাত্র একটি এস এবং ১১টি উইনার মারেন ফেড-এক্স৷ ফরাসি প্রতিদ্বন্দ্বী দ্বিতীয় ও তৃতীয় লড়াইয়ের চেষ্টা করলেও ফেডেরারের বিরুদ্ধে তা যথেষ্ট ছিল না৷ ৩৬ বছরের সুইস তারকা আধিপত্য বজায় রেখেই অল ইংল্যান্ড ক্লাবে ১৬ নম্বর কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছন৷ এবার চ্যাম্পিয়ন হলে সর্বাধিক ৯ বার উইম্বলডন জেতার ক্ষেত্রে মার্টিনা নাভ্রাতিলোভাকে ছুঁয়ে ফেলবেন ফেডেরার৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।