ওয়াশিংটন : মঙ্গলযান পারসিভিয়ারেন্সের পর এবার লক্ষ্য রকেটের উৎক্ষেপণ। নাসার পরবর্তী প্রজেক্ট ত্রিস্তরীয় সাব-অরবিটাল সাউন্ডিং রকেট। এর কাজ মূলত পৃথিবীর সীমানা শেষের অংশে আয়োনাইজেশনের ভূমিকা ও গুরুত্ব খতিয়ে দেখা। পৃথিবীর বায়ুমন্ডল ছাড়িয়ে মহাকাশের সীমানা শুরুর জায়গাতেই কাজ করবে এই রকেট। তথ্য পাঠাবে সেই বিস্তীর্ণ এলাকার আয়োনাইজেশনের (ionization study in Space)।

তেসরা মার্চ অর্থাৎ বুধবার বিকেলে ভার্জিনিয়ার ওয়ালোপস ফ্লাইট ফেসিলিটিতে (Wallops Flight Facility) নাসার ডিপার্টমেন্ট অফ ডিফেন্সের লঞ্চ প্যাড থেকে উৎক্ষেপণ করা হবে এই ত্রিস্তরীয় সাব-অরবিটাল সাউন্ডিং রকেট। ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৫০০ মাইল ওপরে উঠে প্রাথমিক ভাবে কাজ শুরু করবে রকেটটি। পৃথিবী থেকে নির্গত বাষ্প ও পৃথিবীর বায়ুমন্ডলের উত্তাপের পরিমাণ নির্ধারণ করতে বড় ভূমিকা নিতে চলেছে সাব-অরবিটাল রকেট।

মহাকাশের সীমানায় পৌঁছে কিছু বাষ্প ছাড়বে রকেটটি বলে জানিয়েছে নাসা। তবে তা ক্ষতিকারক নয় বলেই খবর। ওই এলাকার বাসিন্দারা সামান্য রঙিন কিছু মেঘ তৈরি হতে দেখতে পারেন। রকেটের ছাড়া বাষ্প থেকেই তা তৈরি হবে বলে জানিয়েছে নাসা। তবে খুব দ্রুত তা বাতাসে মিলিয়ে যাবে।

ঠিক কখন ওই রকেটকে উৎক্ষেপিত করা হবে, সে সম্পর্কে সঠিক ভাবে কিছু জানা যায়নি (NASA dated rocket launch)। তবে এই লঞ্চ প্রক্রিয়া ইন্টারনেটে সরাসরি সম্প্রচার করবে না নাসা। এমনকী সাধারণ দর্শকদের জন্যও ভার্জিনিয়ার ওয়ালোপস ফ্লাইট ফেসিলিটি (NASA Visitor Center at Wallops) খুলে দেওয়া হবে না।

এদিকে, দিন কয়েক আগেই জানা গিয়েছে এক মহিলা বিজ্ঞানী এমন একটি নতুন ফিউশন রকেট ডিজাইন করেছেন যা ১০ গুণ বেশি স্পিডে (বর্তমান স্পিডের চেয়ে) মানুষকে মঙ্গলে নিয়ে যেতে পারে। আমেরিকার প্রিন্সটন প্লাজমা ফিজিক্স ল্যাবরেটরি (পিপিপিএল) এ কর্মরত ড. ফতিমা ইব্রাহিমি এই নতুন রকেট ডিজাইন করেছেন। বর্তমানে যে রকেট ব্যবহার করা হচ্ছে তাতে ইলেকট্রিক ফিল্ডের মাধ্যমে পার্টিকালগুলিকে শ্যুট করা হয়। তবে ফতিমার তৈরি নতুন রকেটে চৌম্বকীয় ক্ষেত্রের ব্যবহারে গতি আরও বাড়বে। ডেইলি মেইলের রিপোর্ট বলছে, ফাতিমা জানিয়েছেন, তিনি ২০১৭ সাল থেকে এই প্রোজেক্টে কাজ করেছেন।

উল্লেখ্য, সূর্য বা তারা থেকে উৎপন্ন শক্তিকে ফিউজন বলা হয়। রকেটের জন্য বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য বৈজ্ঞানিকরা দীর্ঘদিন ধরে ল্যাবে ফিউজনের ওপর কাজ করছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রিন্সটন প্লাজমা ফিজিক্স ল্যাবরেটরি এবং ন্যাশনাল এনার্জি রিসার্চ সায়েন্টিফিক কম্পিউটিং সেন্টারে দেখা গিয়েছে নতুন প্লাজমা থ্রাস্টার কনসেপ্টের মাধ্যমে বেশি স্পিড পাওয়া যেতে পারে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।