কলকাতা২৪x৭: শেষ ম্যাচে একরাশ লজ্জা উপহার দিয়ে আইএসএল অভিষেক মরশুমে অভিযান শেষ করল এসসি ইস্টবেঙ্গল। লিগের ‘লাস্ট বয়’ ওডিশা এফসি’র কাছে হাফডজন গোল হজম। ফলাফল দেখে একরাশ ক্ষোভ উগড়ে দিলেন আইএসএলের প্রাক্তন তারকা একইসঙ্গে একদা ইস্টবেঙ্গলের ঘরের ছেলে রহিম নবি। শনিবার ম্যাচের পর কলকাতা২৪x৭-র তরফ থেকে যোগাযোগ করা হলে সরাসরি কোচ রবি ফাওলার এবং তাঁর কোচিং স্টাফেদের কাঠগড়ায় দাঁড় করালেন একদা জাতীয় দলের ফুটবলার।

‘যে ক্লাবটাতে কেরিয়ারে সবচেয়ে বেশি সময় কাটিয়েছি সেই দল এতগুলো গোল খাবে এটা সত্যি ভাবতে পারছি না। আমি ইস্টবেঙ্গল ক্লাবকে দেশের কোনও টুর্নামেন্টে ৬ গোল খেতে দেখেছি বলে মনে করতে পারছি না। ক্লাবটার জার্সি পরে যে ছেলেগুলো খেলল তাদের মানসিকতা আমি ভাবছি। শেষ ম্যাচে সম্মানের সঙ্গে খেলে একটা ভাল ফলাফল করবে বলে আশা করেছিলাম, কিন্তু কোথায় কী?’ কথাগুলো গড়গড় করে বলছিলেন পান্ডুয়ার ফুটবলার। এরপর এই ব্যর্থতা এবং লজ্জা উপহার দেওয়ার জন্য রবি ফাওলার কতটা দায়ী প্রশ্ন করতেই জ্বলে উঠলেন নবি।

জাতীয় দলের জার্সি গায়ে পঞ্চাশেরও বেশি ম্যাচ খেলা ফুটবলার বলছেন, ‘টিম ভাল ফলাফল করলে কোচের নাম হয় তাহলে টিম জঘন্য ফুটবল খেললে কোচের সমালোচনা হবেই। এটা স্বাভাবিক। তুমি যখন দলটার দায়িত্ব গ্রহণ করেছো তখন এড়িয়ে গেলে কী করে হবে। আর বিদেশি ফুটবলাররা তো সব কোচেরই বাছাই করা। আমার মনে হয় ওনার (রবি ফাওলারের) তড়িঘড়ি পদত্যাগ করা উচিৎ। সামনের মরশুমে ওনাকে রাখার কোনও কারণ আমি দেখতে পারছি না। আমার তো মনে হচ্ছে এই দলে এখন মেহতাব, সৌমিক, অর্ণবদের ফিরিয়ে আনার মত অবস্থা তৈরি হয়েছে।’

নবির সংযোজন, ‘সরিয়ে দেওয়া নয়। ফাওলারের উচিৎ ব্যর্থতার দায় নিয়ে এখনই নিজে থেকে সরে যাওয়া। এরপরেও এই ক্লাবে কোচের পদে থাকার দাবি করাই ফাওলারের উচিত নয়। আর শুধু ফাওলার কেন ওনার সহকারীদেরও সরিয়ে ফেলে নতুন সেট-আপ নিয়ে আসা উচিৎ ক্লাবে। যাদের ভারতের মাটিতে কোচিং করানোর অভিজ্ঞতা রয়েছে। খালিদ জামিলকে দেখে এদের শেখা উচিৎ। নর্থ-ইস্টকে যেভাবে পালটে দিল, হ্যাটস অফ।’

তবে শুধু নবি নন, আপামর ইস্টবেঙ্গল সমর্থকেরাও এখন নবির মতই চাইছেন রবি ফাওলার অবিলম্বে তাঁর সহকারীদের নিয়ে পাকাপাকিভাবে দেশে ফেরার টিকিট কাটুন। সবমিলিয়ে যা অবস্থা তাতে বাকি ১৯টা ম্যাচ যেমন তেমন, শেষ ম্যাচের পর লাল-হলুদ সমর্থকদের কাছে আরও অস্তাচলে চলে গেলেন রবি (ফাওলার)।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।