পানাজি: আইএসএল অভিষেকের প্রাক-মুহূর্তে দাঁড়িয়ে এসসি ইস্টবেঙ্গল। আর অভিষেকেই সামনে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী এটিকে-মোহনবাগান। ইতিমধ্যেই টুর্নামেন্টে একটি ম্যাচ খেলে নিয়েছে এটিকে-মোহনবাগান। গতবছরের চ্যাম্পিয়ন এটিকের সঙ্গে সংযুক্তিকরণের পর মূলত কোর টিমটা ধরে রেখেছে এটিকে-মোহনবাগান। তাই এটিকে-মোহনবাগানের শক্তি-দুর্বলতা দেখে পরিকল্পনা করার সুযোগ রয়েছে এসসি ইস্টবেঙ্গলের নয়া কোচ রবি ফাওলারের কাছে। কিন্তু এটিকে-মোহনবাগানের কাছে পুরোপুরি অচেনা ইস্টবেঙ্গল সমীহ কুড়িয়ে নিচ্ছে।

তবে ইস্টবেঙ্গলের অন্দরমহলে কান পাতলে শোনা যাচ্ছে ডার্বির প্রথম একাদশে স্বদেশী ফুটবলার বাছাইয়ে খানিকটা হিমশিম খাচ্ছেন লিভারপুন লেজেন্ড রবি ফাওলার। অভিজ্ঞতা এবং তারুণ্যের মিশেলে লাল-হলুদ শিবিরের স্বদেশী স্কোয়াড বেশ মনে ধরেছে ফাওলারের, তাই একাদশ বা রিজার্ভ বেঞ্চ চূড়ান্ত করতে ডার্বির কয়েকঘন্টা আগে ফাওলারের অনুশীলনে নয়া প্রযুক্তির আবির্ভাব। কী সেই প্রযুক্তি? ইস্টবেঙ্গল অনুশীলনে ভিডিও অ্যানালিস্ট জোসেফ ওয়ালমসলের হাত ধরে আত্মপ্রকাশ ঘটল হাই-পড টেকনোলজির।

বিশ্ব ফুটবলে এই মুহূর্তে ভীষণই জনপ্রিয় এই হাই-পড টেকনোলজি। যার মাধ্যমে ট্রেনিং গ্রাউন্ডের এরিয়াল ভিউ চলে আসছে ফাওলারের হাতে মুঠোয়। আর সেই ভিউ দেখেই ইস্টবেঙ্গল কোচ বুঝে নিচ্ছেন তাঁর ফুটবলাররা শারীরীকভাবে কতোটা ছন্দে রয়েছেন। যা লিভারপুল কিংবদন্তিকে ফুটবলার বাছাইয়ের ক্ষেত্রে নিশ্চিতভাবে একটা বাড়তি সুবিধা প্রদান করবে কিংবা প্রয়োজনে কোনও ফুটবলারকে আরও ঘষে-মেজে নিতে সহায়তা করবে। অনুশীলন চলাকালীন ভিডিও অ্যানালিস্ট ওয়ালমসলেই অপারেট করছেন ভারতীয় ফুটবলে নয়া এই প্রযুক্তি। ম্যাচ শেষে ফাওলার তাঁর ভিডিও অ্যানালিস্টের কাছে গিয়ে খুঁটিনাটি বুঝে নিচ্ছেন সবকিছু।

মঙ্গলবার ইস্টবেঙ্গল অনুশীলনে ব্যবহৃত এই নয়া প্রযুক্তির ছবি পোস্ট করা হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ার অফিসিয়াল পেজগুলোতে। সেটপিস কোচ এনে আগেই চমক দিয়েছিলেন রবি ফাওলার। এবার অত্যাধুনিক হাই-পড প্রযুক্তি কাজে লাগিয়ে ডার্বিতে সমর্থকদের কতটা আনন্দ দিতে পারেন লিভারপুল প্রাক্তনী, এখন সেটাই দেখার।

একইসঙ্গে ২৭ নভেম্বর ডার্বিতে হাবাসের আল্ট্রা ডিফেন্সিভ স্ট্র্যাটেজি ভাঙতে ফাওলারের অন্যতম ভরসা সেটপিস। ডার্বির প্রাক্কালে সেটপিস কোচ টেরেন্স ম্যাকফিলিপ্সের উপর তাই বাড়তি ভরসা রাখছেন ফাওলার। মঙ্গলবার সেটপিস কোচের অধীনে আলাদা করে সেটপিস সেশন চলে পিলকিংটন-ম্যাঘোমা-জেজেদের।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.