স্টাফ রিপোর্টার, হাওড়া: হাত মুখ বেঁধে ফেলে রেখে শিবপুর বোটানিক্যাল গার্ডেনের প্রাক্তন ডেপুটি ডিরেক্টর ড. দেবিকা মিত্রের বাড়িতে ডাকাতি করল একদল দুস্কৃতি৷ ঘটনাটি ঘটেছে হাওড়ার নাজিরগঞ্জের দ্যুঁইলায়৷

অশীতিপর দেবিকা মিত্র বাড়িতে একাই থাকতেন৷ তাঁরই বাড়িতে একা থাকার সুযোগ নিয়ে ভয়াবহ ডাকাতি করল একদল ডাকাত৷ রবিবার ভোররাত ৩টে নাগাদ ঘটনাটি ঘটে৷

আরও পড়ুন: তোর্সায় ফাঁসিঘাট সেতুর দাবিতে আন্দোলনে বাসিন্দারা

হাওড়ার নাজিরগঞ্জের দ্যুঁইলায় বাড়িতে একাই ছিলেন তিনি৷ তিন দুষ্কৃতি বাড়ির পিছন দিকের বাথরুমের ভাঙা জানলা দিয়ে ঘরের ভিতরে ঢোকে৷ এরপর তাঁর কাপড় ও তোয়ালের সাহায্যে তাঁরই মুখ-হাত বেঁধে ধারালো অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে হিরের কানের দুল, হাতের সোনার বালা, গলার হার-সহ আলমারি থেকে নগদ ৩০ হাজার টাকা ও সোনার গয়না লুঠ করে পালায়৷

এরপর ৮১ বছরের বৃদ্ধা দেবিকা মিত্র কোনওক্রমে বাঁধন খুলে বাড়িওয়ালাকে খবর দেন৷ খবর দেন প্রতিবেশীদেরও৷ খবর পেয়ে সকলেই ছুটে আসেন তাঁর বাড়ি৷ তাঁরা এসে পুলিশকে খবর দেন৷ খবর পেয়ে নাজিরগঞ্জ থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে৷

আরও পড়ুন: প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায় ‘ডিলিট’ সম্মানে সম্মানিত হলেন

দেবিকা মিত্র বলেন, “ওরা তিনজন এসেছিল৷ ওদের হাতে কিছু ছিল না৷ আমার বাড়ির তোয়ালে ও কাপড় দিয়েই আমাকে বেঁধে ফেলে ওরা৷ রান্নাঘর থেকে আনাজ কাটার ছুরি নিয়ে আসে৷ সেটি দেখিয়ে মেরে ফেলার হুমকি দেয়৷ এরপর আলমারির চাবি খুলে টাকা পয়সা, সোনার গয়না সব নিয়ে পালিয়ে যায়৷ ওরা আমার থেকে ২ লক্ষ টাকা চেয়েছিল৷ আমি ওদের বলেছিলাম টাকা ঘরে নেই৷ ব্যাঙ্কে আছে৷ ওদের কাছে খবর ছিল আমার কাছে টাকা রয়েছে৷”

আরও পড়ুন: ত্রিপুরা এফেক্ট! তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে শতাধিক সংখ্যালঘু মানুষ

বৃদ্ধা দেবিকা মিত্রের দুই ছেলে কর্মসূত্রে দুবাই ও ব্যাঙ্গালুরুতে থাকেন৷ দুই ছেলেকেও ফোন করে ঘটনার কথা জানান দেবিকা মিত্র৷ এই ডাকাতির ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ৷ ডাকাতদের খোঁজ চলছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর৷

আরও পড়ুন: ফাঁকা ক্লাসরুমে শ্লীলতাহানির অভিযোগ প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে