নয়াদিল্লি : এক বছর পেরিয়েও সুশান্ত সিং রাজপুত মানুষের আবেগে রয়ে গিয়েছেন। তাঁর প্রমাণ এল সামনে। তাঁর নামে নামাঙ্কিত হতে চলেছে রাস্তা। জানা গিয়েছে অ্যানড্রুজ গঞ্জ নামে এলাকার রাস্তা সুশান্তের স্মৃতিতে নামাঙ্কিত হবে। তাও এই রাস্তা মুম্বইয়ের নয়। দক্ষিণ দিল্লির। সেখানকার কর্পোরেশনের কংগ্রেস কাউন্সিলর অভিষেক দত্ত এই কথা জানিয়েছেন।

তিনি জানিয়েছেন ছয় মাস আগে তাঁদের কাছে এই প্রস্তাব এসেছিল। সেই প্রস্তাব পাশ হয়ে গিয়েছে। তাই এই রাস্তা এবার সুশান্তের নামে হচ্ছে। প্রসঙ্গত সুশান্তের মৃত্যুর পর ২১ জানুয়ারি ছিল সুশান্তের জন্মদিন। বিশেষ দিনটিকে স্মরণীয় করে অভিনেতার দিদি শ্বেতা সিং কীর্তি একটি বিশেষ স্কলারশিপের ঘোষণা করেন।

বৃহস্পতিবার সোশ্যাল মিডিয়ায় শ্বেতা ঘোষণা করেন, ৩৫ হাজার মার্কিন ডলার ফান্ড গঠিত হয়েছে ইউসি বার্কলে বিশ্ববিদ্যালয়ে। তিনি লেখেন- ‘আমি অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে ঘোষণা করছি ভাইয়ের ৩৫তম জন্মবার্ষিকীতে যে ওর অপূর্ণ স্বপ্নপূরণের জন্য আমরা একটা পদক্ষেপ নিয়েছি। ৩৫ হাজার মার্কিন ডলারের সুশান্ত সিং রাজপুত মেমোরিয়াল ফান্ড তৈরি করা হয়েছে ইউসি বার্কলে-তে’।

এর সঙ্গে সুশান্তের একটি পুরোনো ইনস্টাগ্রামের স্ক্রিনশট শেয়ার করেন শ্বেতা, যেখানে কী ধরণের শিক্ষব্যবস্থা ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য গড়তে চেয়েছিলেন সুশান্ত তা লেখা রয়েছে। সেখানে লেখা রয়েছে- ‘আমার স্বপ্ন হল ভারতের এবং অনন্যা জায়গার শিক্ষার্থীদের জন্য এমন একটা পরিবেশ গড়া যেখানে বিনামূল্যে এবং প্রয়োজনীয় শিক্ষা পাওয়া যাবে। যে শিক্ষা তাঁদের নানান ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় স্কিল তৈরিতে সাহায্য করবে, সেটাও নিজেদের পছন্দমতো’। আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে শ্বেতা লেখেন- ‘ইউসি বার্কলেতে অ্যাস্ট্রোফিজিক্স নিয়ে পড়াশোনা করছে এমন যে কেউ এই স্কলারশিপের জন্য আবেদন জানাতে পারেন। সেই দেবদূতের কাছে কৃতজ্ঞ যিনি এটা সম্ভবপর করেছেন। শুভ জন্মদিন আমার ভাই, আমি আশা করছি তুই খুশি থাকবি, যেখানেই আছিস! অনেক ভালোবাসা’।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়াতে অবস্থিত ইউসি বার্কলে বিশ্ববিদ্যালয়। এই বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিজিক্স নিয়ে পড়াশোনা করছে এমন শিক্ষার্থীদের আর্থিক সাহায্য করবে সুশান্ত সিং রাজপুত মেমোরিয়াল ফান্ড। অ্যাস্ট্রোফিজিক্স নিয়ে পড়াশোনা করছে যে শিক্ষার্থীরা তাঁরা এক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাবে।

ছোটথেকেই নিজে পড়াশোনায় ভালো ছিলেন সুশান্ত। মহাকাশ থেকে অ্যাস্ট্রোফিজিক্স সব বিষয় নিয়ে ছিল তাঁর পছন্দের বিষয়, বিস্তর চর্চা করতেন এসব নিয়ে। বাড়িতে ছিল দূরের গ্রহ দেখার বিশেষ যন্ত্রও।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।