ফাইল ছবি

স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা:  ফের বাংলায় আসছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। মার্চের ২ ও ৩ তারিখ তিনি উত্তর ও দক্ষিণ কলকাতায় রোড-শো করবেন বলে বিজেপি সূত্রে খবর৷ জানা গিয়েছে, উত্তর কলকাতায় রোড শো হবে টালা থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত। দক্ষিণ কলকাতায় রাসবিহারী থেকে রবীন্দ্র সদন পর্যন্ত রোড শো করবেন অমিত শাহ।

 আগামী ৭ মার্চ কলকাতায় আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বিজেপি-র ব্রিগেড সমাবেশে হাজির থাকবেন তিনি। তার আগে ফের দু’দিনের সফরে বাংলায় আসছেন অমিত শাহ। জানা গিয়েছে, এবার কলকাতাতেই তাঁর সমস্ত কর্মসূচী রয়েছে৷ কলকাতা জোনের ‘পরিবর্তন যাত্রা’র সমাপ্তি কর্মসূচি হবে উত্তর কলকাতায়। সেখানে একটি জনসভা করবেন শাহ। পরের দিন বুধবার দক্ষিণ কলকাতায় রোড-শো এবং সমাবেশ করতে পারেন অমিত শাহ। গেরুয়া শিবির সূত্রে জানা গিয়েছে, হাজরা মোড়ে সভা করার পরিকল্পনা রয়েছে তাদের৷ তার আগে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্বাচনী কেন্দ্র ভবানীপুরে হবে রোড-শো।

ফেব্রুয়ারিতে দক্ষিণ ২৪ পরগনার নামখানা থেকে ‘পরিবর্তন যাত্রা’র সূচনা করেছিলেন। সেখানে শাহ বলেছিলেন, ‘বাংলার পরিস্থিতি ভালো নয়। আর্থিক পরিস্থিতির হাল খারাপ। আপনাদের বলছি, একবার বিজেপি সরকার গড়ে দিন বাংলায়, সকল সরকারি কর্মচারির জন্য সপ্তম বেতন পে কমিশন কার্যকর করা হবে।’ পাশাপাশি শাহ বলেছেন, রাজ্যে সরকারি চাকরিতে ৩৩ শতাংশ আসন মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত করা হবে।অমিত শাহ আরও বলেছেন, ‘ক্ষমতায় এলে আমফান দুর্নীতি নিয়ে উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি তৈরি করা হবে। সাধারণ মানুষের টাকা ফেরানো হবে। অপরাধীদের জেলে পাঠানো হবে।’

তবে বাংলায় এসে শাসক দলকে শুধু আক্রমণই নয়,  দলকে ঝাঁকুনি দিয়েছিলেন অমিত শাহ৷ সূত্রের খবর, অমিত শাহ নির্দেশ দিয়েছেন, রাজ্যের ৪২ টি লোকসভা কেন্দ্র ধরে ৪২ টি বড়মাপের সমাবেশ করতে হবে। সেইসব সভায় উপস্থিত থাকবেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতারা। অন্যদিকে, বিধানসভা ভিত্তিক সমাবেশের আয়োজন করতে হবে। যাতে হাজির থাকবেন রাজ্যের নেতারা। নিচুতলার নেতা-কর্মীদেরও বলা হয়েছে, বুথভিত্তিক সভা করতে হবে।

এদিকে, শুক্রবার বিকেল সাড়ে চারটে নাগাদ সাংবাদিক বৈঠক করে ভোটের দিন ঘোষণা করবে নির্বাচন কমিশন। ভোটের দিন ঘোষণা হলে গেলেই লাগু হয়ে যাবে নির্বাচনী বিধি। কাজেই এক্ষেত্রে শাহের প্রচারেও লাগু হবে বিধিনিষেধ। সেই পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে বিজেপি কী প্রস্তুতি নিয়েছে সেদিকেও নজর থাকবে রাজনৈতিক মহলের।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।