তিমিরকান্তি পতি (বাঁকুড়া); জরাজীর্ণ রাজ্য সড়ক। দূর্ঘটনার আশঙ্কায় নিত্য যাত্রী থেকে সাধারণ মানুষ।। ক্ষোভ বাড়ছে এলাকাবাসীর মধ্যে।

বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুর থেকে কোতুলপুর চেক পোষ্ট পর্যন্ত প্রায় ৪০ কিলোমিটার রাস্তা দীর্ঘদিন বেহাল। বিষ্ণুপুর থেকে হুগলির আরামবাগ সীমান্ত পর্যন্ত ব্যস্ততম এই রাস্তার পিচ উঠে গিয়েছে। মাঝে মাঝে ইঁট দিয়ে রাস্তা সারাইয়ের কাজ হলেও খুশি হন এলাকার মানুষ। তাদের দাবী, দিনে অসংখ্য যাত্রী ও পণ্যবাহি যানবাহন চলাচল করে এই রাস্তা দিয়ে। ফলে এবড়ো, খেবড়ো পিচ উঠে উঠে যাওয়া এই রাস্তায় যেকোন সময় দূর্ঘটনার আশঙ্কা থেকেই যায়।

জলপুরের গেলিয়া এলাকার বাসিন্দা অমিতাভ খান বলেন, রাস্তার বিভিন্ন অংশে পিচ উঠে গেছে। ইঁট দিয়ে ঐ অংশ মেরামত করা হলেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি। এই মুহূর্তে অন্যান্য যান বাহনের সঙ্গে বালি বোঝাই লরির দৌরাত্ম বেড়েছে। ফলে সন্ধ্যার পর এই রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করাই অসম্ভব হয়ে পড়ছে বলে তিনি জানান। স্থানীয় ব্যবসায়ী পার্থ সারথী খান আগের চেয়ে রাস্তার মান যথেষ্ট খারাপ দাবী করে বলেন, প্রতিদিন ভাঙ্গাচোরা, পিচ উঠে যাওয়া এই রাস্তার উপর চাপ বাড়ছে। ইঁট দিয়ে সাময়িকভাবে রাস্তা সারাইয়ের কাজ করার ফলে প্রায়শই দূর্ঘটনা ঘটছে বলে তিনি দাবী করেন।

বিষ্ণুপুরের মহকুমাশাসক মানস মণ্ডলও ঐ রাস্তাটি যথেষ্ট বেহাল ও ইঁট দিয়ে রাস্তা সারাইয়ের কথা স্বীকার করে নিয়েছেন। তিনি বলেন, বর্ষার সময় সংশ্লিষ্ট দফতর ওই রাস্তা মেরামতির কাজ করতে চায়নি। কারণ তাতে বর্ষার জলে রাস্তা আবারো ভেঙ্গে যাওয়ার সম্ভাবনা ছিল। তাই ইঁট দিয়ে সাময়িক সমস্যা সমাধানের চেষ্টা হয়েছিল। বর্ষা পেরিয়ে গেছে এবার রাস্তার মেরামতির কাজ শুরু হবে বলে তিনি আশাপ্রকাশ করেন।