সাইবেরিয়াযে কোনো লড়াই একদলের পতন ডেকে আনে আর একদলের সাফল্য। যারা সফল হয় তারা তখন দুর্বলদের উপর চালায় অকথ্য অত্যাচার। এর নিদর্শন বারবার দিয়েছে ইতিহাস। একটি শতাব্দীতে দুটি বিশ্বযুদ্ধ প্রমাণ করেছিলো যে মানুষের কাছে ক্ষমতাই আসল লক্ষ্য। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের রেশ ধরেই এসেছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ। সবথেকে বেশি ভুগেছে নিরপরাধ মানুষগুলোই। আবার নিষ্ঠুর স্তালিনগ্রাদের যুদ্ধতেও ভয়াবহতা প্রকাশ পেয়েছে।

রাশিয়ার উত্তর পূর্বে সাইবেরিয়ার ইয়াকুটস্কের নিকটবর্তী এক হাইওয়ের ধারে হাজার হাজার মানুষের কঙ্কাল যেমন পাওয়া গিয়েছে তেমন পড়ে থাকতে দেখা গিয়েছে হাত-পা বা হাড়ের টুকরো। এখানে যেসব বন্দিরা থাকতো তারা কঠিন অবস্থার মধ্যে দিন কাটাতো। গরম বা শীত কোনোটাই সহ্য করার মতো ছিলো না। গোটা রাস্তায় এমন হাড় ছড়িয়ে থাকায় সেই জায়গাটির নাম ‘রোড অব বোনস’ দেওয়া হয়েছে। তবে সাম্রাজ্যবাদের ভয়াবহতা ঢাকতে এই রাস্তাকে বলা হয় কোলাইমা হাইওয়ে। রাস্তাটি তৈরী নাকি হয়েছে হাজার বন্দির রক্ত, ঘাম ও জীবনের বিনিময়ে।

আরো পোস্ট- মৃত প্রাণীকে জাগিয়ে তুলতে পারে! জানুন জিনিসটির নাম

১৯৩২ সালে রাস্তাটির বিস্তারের কাজ শুরু করা হয়েছিল। অন্যদিকে, লোকমুখে প্রচলিত যে রাস্তা তৈরিতে এর মাঝে অবস্থিত বহু বন্দিদের আবাসনকে ঘিরে তৈরি হয়েছে এটি। শুধু তাই না, যেসব বন্দিদের কাজে লাগানো হতো তারা মারা গেলে চাপা পড়ে যেত এর তলায়। রাশিয়ার উত্তর পূর্বের শহর মাগাডানের সঙ্গে নিঝনি বেস্টিয়াখ শহরকে একসঙ্গে বেঁধেছিলো এই ‘রোড অব বোনস’। তবে শ্রমিকদের ভাগ্য নিয়ে নানা লোকের নানা মত রয়েছে। কিন্তু সেই কালো অধ্যায় আজও অমলিন। তাই তাকেও স্মরণীয় করে রাখতে ১৯৯০ সালে তৈরি হয় ‘মাস্ক অব সরো’। এটি একটি স্থাপত্য যা কোলাইমার কালো সময়ের দিকে ইঙ্গিত করে। নরকঙ্কাল অনেক নরকঙ্কাল পাওয়া গিয়েছে যা মনে করা হয় ১৯১৭-১৯২২ সালের রুশ গৃহযুদ্ধের সময়কার মারা যাওয়া ব্যক্তিদের কঙ্কাল। কাহিনী যাই থাকুক সেই কঙ্কাল দেখলে যে কেউ চমকে উঠবেন তার কোনো না কোনো অতীতকে স্মরণ করে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।