মালদহ: পথদুর্ঘটনায় এক যুবকের মৃত্যুকে ঘিরে রণক্ষেত্র হয়ে উঠল গাজোলের কদুবাড়ি সংলগ্ন এলাকা৷ অভিযোগ, কর্তব্যরত সিভিক ভলান্টিয়ারদের তোলাবাজির কারণেই এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে৷ ঘটনায় আহত হন তিনজন৷ এই ঘটনার জেরে ট্রাফিক পুলিশের সঙ্গে উত্তেজিত জনতার ধস্তাধস্তি হয় বলেও অভিযোগ৷ সবমিলিয়ে ধুন্ধুমার হয়ে ওঠে কদুবাড়ি মোড় সংলগ্ন ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়ক৷

মালদহের গাজোলের কদুবাড়ি মোড় সংলগ্ন ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়ক৷ বৃহস্পতিবার সেখানেই ঘটনাটি ঘটে৷ পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতের নাম মনিরুল ইসলাম (৩৫)৷ এই ঘটনায় আরও তিনজন আহত হয়েছেন৷ তাঁদের নাম মনসুর রহমান (৪০), আবু বক্কার (৪৮) ও নেফার আলি (৫৫)৷ পুলিশ জানিয়েছে, আহতরা সকলেই গাজোলের রাজারামচক এলাকার বাসিন্দা৷ স্থানীয়রাই আহতদের উদ্ধার করে গাজোল গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যান৷

আরও পড়ুন: কয়েক হাজার নিয়োগের সিদ্ধান্ত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের

পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মনিরুল ইসলামের মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মালদহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছে৷ ঘাতক লরিটিকে আটকও করা হয়েছে৷ স্থানীয়দের অভিযোগ, এদিন সকাল ৭টা নাগাদ একটি মোটরভ্যানে চেপে চাঁচলের দিক থেকে চারজন গাজোল হাটে যাচ্ছিলেন৷ ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়ক পার হওয়ার সময় মালদহ থেকে রায়গঞ্জগামী একটি ট্রাক প্রচণ্ড গতিতে ছুটে আসায় নিয়ন্ত্রণ হারায়৷ ধাক্কা মারে যাত্রীবাহী মোটরভ্যানটিতে৷

আরও পড়ুন: চোর-পুলিশের খেলায় শিয়ালদহে একঘণ্টা বন্ধ ট্রেন চলাচল

রাস্তার উপর ছিটকে পড়েন মোটরভ্যানে থাকা যাত্রীরা৷ ঘটনাস্থলেই মারা যান মোটরভ্যানের চালক৷ স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, কয়েকজন সিভিক ভলান্টিয়ার সেই সময় ভ্যানো থেকে টাকা তুলছিলেন৷ যাতে সেই টাকা না দিতে হয় সেই কারণেই গতি বাড়িয়ে পালানোর চেষ্টা করে ওই ট্রাকটি৷ তার জেরেই ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটে যায়৷

এদিকে এই ঘটনার পর কর্তব্যরত এক ট্রাফিক পুলিশকে স্থানীয়রা হেনস্তা করে বলে অভিযোগ৷ পাশাপাশি ৩৪ নম্বর ও ৮১ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ করেন এলাকার লোকজন৷ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে গাজোল থানার পুলিশ৷ পরে পুলিশি হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়৷

আরও পড়ুন: বীরাপ্পনকে খতম করা এই আইপিএসকেই উপত্যকায় পাঠাচ্ছে মোদী সরকার