প্রতীকী ছবি

গুয়াহাটি: এক মহিলার সঙ্গে অশ্লীল ভিডিও প্রকাশ্যে আসায় বিপাকে পড়লেন বিধায়ক। ইতিমধ্যেই সামনে এসেছে সেই বিতর্কিত ভিডিও। আরজেডির ওই বিধায়ক ভারত-মায়ানমার সীমান্তের কাছে একটি মেয়ের সঙ্গে উদ্দাম নাচছে।

ওই বিধায়কের সঙ্গে আরও চার ব্যক্তিকে দেখা যাচ্ছে ভিডিওতে। দিনের আলোয় একটি ঘরের মধ্যে চলছে সেই নাচ। ‘নিউজ ১৮’-এ প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী, আরজেডির ওই বিধায়কের নাম যদুবংশ কুমার যাদব। তিনি আরও তিন বিধায়কের সঙ্গে মায়ানমার সীমান্তের মোরে-তে গিয়েছিলেন। গত ১ জুন সেখানে যান তিনি। স্টাডি ট্যুরে গিয়েছিলেন বলে জানা যায়। আর সেখানেই এই কীর্তি।

ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, মেয়েটির কাঁধে হাত রাখার চেষ্টা করেছিলেন তিনি তবে বারেবারে মেয়েটি কাঁধ থেকে হাত সরিয়ে দিচ্ছে ৷ মেয়েটি নাবালিকা কীনা তা অবশ্য স্পষ্ট নয় ৷ বিহার বিধানসভার অন্তর্গত কেন্দ্রীয় সহায়তায় সমিতিগুলির কাজ দেখতেই নাকি সেখানে গিয়েছিলেন ওই বিধায়ক৷ তাঁদের সঙ্গে ছিলেন বিজেপি বিধায়ক প্রসাদ সিং, জনতাদল ইউনাইটেডের বিধায়ক রাজকুমার রায়-সহ অন্যরা ছিলেন ৷

যদিও এখনও পর্যন্ত আরজেডি-র তরফ থেকে এই ভিডিও সম্পর্কে কোনও ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। তবে অবশ্যই প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়েছে দলকে। কীভাবে স্টাডি ট্যুরের এই ধরনের কাজ করছেন একজন বিধায়ক, তা নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন।

এর আগে এমন ঘটনা ঘটিয়েছিলেন এক জেডিইউ বিধায়ক। তিনিও ছিলেন বিহারেরই এক বিধায়ক। শুধু নাচ নয়, রীতিমত নর্তকীদের দিকে টাকা ছুঁড়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করছিলেন তিনি। জনতা দল ইউনাইটেড-এর বিধায়ক ছিলেন শ্যাম বাহাদুর সিংহ। তাঁকে কয়েকজন বার ডান্সারের সঙ্গে অশ্লীল ভাবে নাচতে দেখা গিয়েছিল। এই ভিডিওটি প্রকাশের পরেই চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। জনগণের সেবার জন্য নির্বাচিত হওয়া বিধায়ক যখন এভাবে নাচেন তখন সেটা ভাইরাল হওয়াটাই স্বাভাবিক।

ভিডিও সামনে আসার পরই দলের বিধায়কের জবাব তলব করে। বিধায়ক অবশ্য বলেছিলেন, ওটা ভিডিও। তিনি এধরণের নাচের জন্যে একাধিকবার ক্ষমাও চেয়ে নিয়েছেন। দলীয় বিধায়ককে বাঁচাতে জেডিইউয়ের যুক্তি ছিল, অনুষ্ঠানে উনি নাচলেন, সেটা একটা পারিবারিক গ্যাদারিং, সেখানে নর্তকীদের সঙ্গে নাচাটা কোনও অন্যায় নয়। আরও যুক্তি যেহেতু সেই বিধায়ক মদ্যপ নয়, তাই তাঁর বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়াও হয়নি। উল্টে যেসব সংবাদমাধ্যমে সেই ভিডিও দেখানো হয়েছিল, সেগুলির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছিল।