পাটনা: বিধানসভায় সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখাচ্ছে বিরোধী বিধায়কেরা। স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি তোলা হচ্ছে। কিন্তু দেখা নেই বিধানসভার বিরোধী দলনেতার।

বাদল অধিবেশনে এমনই ছবি দেখা গিয়েছে বিহার বিধানসভায়। অধিবেশনের চতুর্থ দিনেও বিধানসভায় হাজির ছিলেন না বিরোধী দলনেতা তথা আরজেডি প্রধান তেজস্বী যাদব। যা ক্ষোভ জন্মেছে খোদ আরজেডি দলের কর্মীদের মধ্যে।

আরও পড়ুন- বিয়ে না করেও সন্তানের মা ইনি, ফাঁস করলেন অভিনেত্রী নিজেই

মুজফফরপুরে অ্যাকিউট এনসেফেলাইটিস-এর প্রকোপে শতাধিক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই মহামারির মাঝেও দেখা মেলেনি তেজস্বীর। রাজ্যের প্রধান বিরোধী দলনেতার কোনও মন্তব্যও পাওয়া যায়নি। এই বিষয়ে প্রবীণ আরজেডি নেতা রঘুবংশ প্রসাদ সিং বলেন, “আমি জানি না উনি(তেজস্বী) কোথায় আছেন। মনে হয় ক্রিকেট বিশ্বকাপ দেখতে গিয়েছেন। আমি সঠিক বলতে পারব না।”

আরও পড়ুন- বাংলাদেশে একধাক্কায় ভরিতে অনেকটাই বাড়ল সোনার দাম

আরজেডি প্রতিষ্ঠাতা লালু প্রসাদ যাদব পশুখাদ্য কেলেঙ্কারির মামলায় শ্রীঘরে রয়েছেন। এই অবস্থায় জ্যেষ্ঠ পুত্র তেজস্বীর উপরেই রয়েছে যাবতীয় দায়িত্ব। মহাজোটে ভর করে রাজ্যের ক্ষমতা পেয়েও তা বছর খানেকের মধ্যে খোয়া গিয়েছে। এরপরে লোকসভা নির্বাচনেও মারাত্মক ভরাডুবি ঘটেছে দলের। লোকসভার ফল ঘোষণা হওয়ার পর থেকে আর জনসমক্ষে বিশেষ দেখা যায়নি বিহারের প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রীকে।

আরও পড়ুন- বিজেপিকে ধাক্কা অর্পিতা ঘোষের, ঘর ওয়াপসি ৭০০ তৃণমূল কর্মীর

তবে গত সপ্তাহের সোমবার পাটনায় ফিরতেছেন তেজস্বী যাদব। চিকিৎসার জন্য বাইরে ছিলেন বলে ট্যুইটারে জানান তিনি। ওই সপ্তাহের শুক্রবার থেকে বিধানসভায় শুরু হয়েছে বাদল অধিবেশন। তারপর থেকে অধিবেশনের কোনও দিনেই তিনি বিধানসভায় হাজির ছিলেন না। এই সপ্তাহের বুধবারে অধিবেশনের চতুর্থ দিনেও বিরোধী দলনেতাকে বিধানসভায় দেখা যায়নি।

খুব স্বাভাবিকভাবেই এই ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ জন্মেছে দলের কর্মীদের অন্দরে। শাসক এনডিএ জোটের বিধায়কদের পক্ষ থেকে এসেছে তীব্র কটাক্ষ। যা নিয়মিত হজম করতে হচ্ছে আরজেডি বিধায়কদের। শাসক জেডিইউ দলের এক বিধায়ক বলেছেন, “বিরোধী দলনেতা বাদল অধিবেশনের প্রথম দিনে বিধানসভায় হাজির ছিলেন না। চতুর্থ দিনেও তাঁর দেখা মেলেনি।”

আরও পড়ুন- মাহাশে রথ টানতে গেলেই মমতাকে বিজেপি শোনাবে ‘জয় শ্রীরাম’

মজফফরপুরে শিশু মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে বুধবার বিধানসভায় বিক্ষোভ দেখায় আরজেডি এবং বাম বিধায়কেরা। দুই দলেরই বিধায়কেরা বিহারের স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করেছেন।