রাঁচি: লোকসভা ভোট এগিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গেই ক্রমশ স্পষ্ট হচ্ছে বিজেপি বিরোধী মহাজোটের ফাটল। খুব স্বাভাবিকভাবেই যার সুবিধা নিতে প্রস্তুত হয়ে রয়েছে গেরুয়া শিবির।

রবিবার বিজেপি বিরোধী মহাজোট থেকে সরে দাঁড়িয়েছে রাষ্ট্রীয় জনতা দল বা আরজেডি। দলের প্রধান তেজস্বী যাদব এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলা জানা গিয়েছে। অথচ এই আরজেডি প্রধান তথা দলের প্রতিষ্ঠাতা লালু প্রসাদ যাদবের হাত ধরেই চার বছর আগে যাত্রা শুরু করেছিল অবিজেপি মহাজোট।

সুখের সময়ে

এদিন ঝাড়খণ্ডের রাজাধানী শহর রাঁচিতে মহাজোট নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন জোটের নেতারা। উপস্থিত ছিলেন কংগ্রেস, ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা বা জেএমএম এবং ঝাড়খণ্ড বিকাশ মোর্চা বা জেভিএম নেতারা। এদিন জেএমএম প্রধান শিবু সোরেন ঝাড়খণ্ডে অবিজেপি মহাজোটের আসন বিন্যাস ব্যাখ্যা করেন।

আরও পড়ুন- জোটে ধাক্কা দিয়ে টুমকুর আসনে দেবগৌড়া’র বিপক্ষে লড়ছে কংগ্রেস

মোট ১৪টি লোকসভা আসন রয়েছে ঝাড়খণ্ডে। শিবু সোরেনের বক্তব্য অনুযায়ী কংগ্রেস সাতটি আসনে, জেএমএম চারটি আসনে, জেভিএম দু’টি আসনে এবং আরজেডি একটি আসনে প্রার্থী দেবে। এই আসন সমঝোতা মানতে নারাজ আরজেডি প্রধান তেজস্বী যাদব। সূত্রের খবর, ঝাড়খণ্ডের পালামু এবং ছাত্রা এই দুই আসনে প্রার্থী দেওয়ার দাবি করেছে আরজেডি।

মূলত এই আসন সমঝোতার কারণেই ভেস্তে যেতে চলেছে ঝাড়খণ্ডের মহাজোট। দাবি অনুযায়ী আসন না মেলায় মহাজোট থেকে বেরিয়ে যেতে চলেছে আরজেডি। তবে এই তত্ত্ব কেবলমাত্র ঝাড়খণ্ডের জন্যেই। বিহারে অবশ্য কংগ্রেস সহ অন্যান্য অবিজেপি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জোত করেই সপ্তদশ লোকসভা নির্বাচনে লড়াই করতে চলেছে আরজেডি।

ঝাড়খণ্ডে ইতিমধ্যেই বামেরা আলাদা লড়াই করবে বলে জানিয়ে দিয়েছে। ওই রাজ্যে ১৪ আসনের মধ্যে ১৩ আসনে প্রার্থী দিচ্ছে বিজেপি। বাকি একটি আসনে লড়াই করবে এন্ডিএ শরিক এজেএসইউ।